পড়তে হলে স্বাস্থ্য অর্থনীতি

এক আড্ডায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীরা
এক আড্ডায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীরা

স্বাস্থ্য খাতে অর্থনীতির বিষয়বস্তু প্রয়োগ করে কীভাবে এ খাতকে অধিকতর কার্যকর ও সময়োপযোগী করে তোলা যায়, সে বিষয়কে উপজীব্য করে দক্ষিণ এশিয়ায় সর্বপ্রথম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বাস্থ্য অর্থনীতিতে স্নাতক পর্যায়ে উচ্চশিক্ষা দেওয়া হচ্ছে। যুগোপযোগী এ বিষয়ের ব্যাপক চাহিদার কথা বিবেচনা করে ১৯৯৮ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ‘স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইনস্টিটিউট’-এর কার্যক্রম শুরু হয়। শুরুতে স্নাতকোত্তর পর্যায়ে শিক্ষা কার্যক্রম চালু হলেও ২০১০-২০১১ সেশন থেকে স্নাতক (সম্মান) পর্যায়ে পাঠদান করে স্বাস্থ্য অর্থনীতিবিদ গড়ার কাজ করছে এই ইনস্টিটিউট।
শিক্ষা কার্যক্রম ও ভর্তির যোগ্যতা
সেমিস্টার পদ্ধতিতে চার বছরের স্নাতক সম্মানে ভর্তির ক্ষেত্রে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার স্বাভাবিক নিয়মে খ ইউনিট ও ঘ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে অংশ নিতে হবে। প্রতি ইউনিট থেকে ৩০ জন করে মোট ৬০ জন ভর্তির সুযোগ পান। এ ক্ষেত্রে ভর্তি পরীক্ষায় ইংরেজিতে ন্যূনতম ১৪ নম্বর পেতে হয়।
স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইনস্টিটিউটের প্রভাষক জাভেদ হোসেন বলেন, ‘সম্ভাবনাময় এই বিষয়ে অভিজ্ঞ হয়ে এখানকার শিক্ষার্থীরা ভবিষ্যতে আরও দক্ষ ও কার্যকরভাবে স্বাস্থ্য খাত পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করতে সক্ষম হবে।’
ইনস্টিটিউটের তৃতীয় ব্যাচের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেল, তাঁরা এখানে ভর্তি হতে পেরে নিজেদের ভাগ্যবান মনে করছেন। এই ব্যাচের শিক্ষার্থী ইহসান-উল-কবির মুকুট জানান, বন্ধুভাবাপন্ন ও আন্তরিক শিক্ষকদের সহায়তায় স্বাস্থ্য খাতকে আরও যুগোপযোগী ও কার্যকরভাবে পরিচালিত করতে নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারবেন বলে তাঁরা আশাবাদী।

স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইনস্টিটিউটের পরিচালক নাহিদ আকতার জাহান বলেন, ‘স্বাস্থ্য খাতের উন্নতি ও যথার্থভাবে পরিচালনা করা বাংলাদেশের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ। এ জন্য স্বাস্থ্য অর্থনীতির গুরুত্ব প্রতিনিয়ত বেড়েই চলেছে। শুধু দেশে নয়, বিদেশেও এই বিষয়ের রয়েছে অপার সম্ভাবনা ও গবেষণার সুযোগ।’