বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গত দুটি বছর ফ্যাশনে লাউঞ্জওয়্যার (ঘরে পরার আটপৌরে আরামদায়ক পোশাক) আর অ্যাথলেজার (সাধারণত ব্যায়াম ও অন্যান্য আটপৌরে সামাজিক কাজে পরিধেয় পোশাক) রাজত্ব করেছে। বেশি সময়ই তো কেটেছে ঘরবন্দী। তবে বাইরে বের হলেও সবাই আরামপোশাকের দিকে ঝুঁকেছেন। আটপৌরে পোশাক হয়েছে আনুষ্ঠানিক। সেখানে হয়তো কিছু মাত্রা যোগ হয়েছে। তবে এবার, অবশ্যই অমিক্রনের ধাক্কা সামলে, ফ্যাশনপ্রিয়রা নতুন করে ভাববেন। পোশাকআশাকে কিছু পরিবর্তন অবশ্যই আনতে চাইবেন। অন্তত বিশেষজ্ঞরা সেটাই ধারণা করছেন। পাশাপাশি নতুনতর যাপনের সঙ্গে মানানসই যে ধরনের পোশাক ক্রেতারা প্রত্যাশা করছেন, সেটা যেন তাঁদের সরবরাহ করা সম্ভব হয়।

default-image

ফ্যাশনে মেটাভার্স (এমন এক ভার্চ্যুয়াল দুনিয়া ব্যবহারকারী, যেখানে কম্পিউটারসৃষ্ট জগতে অন্যদের সঙ্গে মেলামেশা করে) এখন নতুন ফেনোমেনা। ফলে করোনাকালে অনলাইন আর ভার্চ্যুয়াল জগতের ওপর যে নির্ভরতা তৈরি হয়েছে, সেখানে নতুন অনুঘটক হিসেবে উপস্থিত হয়েছে মেটাভার্স। ভোক্তারা, বিশেষত বয়সে তরুণেরা ভার্চ্যুয়াল জগতে বুঁদ হয়ে থাকেন। তাঁদের প্রয়োজনীয় পণ্যও তাঁরা সেভাবেই সন্ধান করেন। এখানে তাঁদের জন্য সোহাগা হবে মেটাভার্স। এই তরুণ ভোক্তাশ্রেণিকে ধরে রাখতে বিনিয়োগ করতে হবে ভার্চ্যুয়াল জগতের নতুন নতুন উদ্ভাবনীতে। যেখানে গেমিং, ফ্যাশন ইত্যাদিও বিশেষ ভূমিকা রাখছে।

পাশাপাশি শপিং এখন যতটা না ফিজিক্যাল, তার চেয়ে বেশিই ডিজিটাল। ফলে সোশ্যাল শপিংকে গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করে ব্র্যান্ডগুলোকে প্রস্তুতি নিতে হবে।
পরিবেশের বিষয়টাও করোনাকাল আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে গেছে। ফলে টেকসই ফ্যাশন, পুনর্ব্যবহার ইত্যাদি থাকবে এগিয়ে। একই সঙ্গে পণ্যের বিস্তারিত এখন জানতে চান ক্রেতারা। ফলে সেটাও ব্র্যান্ডগুলোকে জানাতে হবে। দিতে হবে সঠিক তথ্য।

default-image

অল্প সময়ে অনেকখানি বদলে গেছে ফ্যাশনের বিশ্ব। আন্তর্জাতিক ট্রেন্ডের চেয়ে বরং রিভেঞ্জ ফ্যাশনই (কোনো ট্রেন্ড অনুসরণ না করে, কোনো কিছু থেকে অনুপ্রাণিত না হয়ে, নিজস্ব রুচি, পছন্দ আর স্বাচ্ছন্দ্য অনুসারে পোশাক পরা) ব্যক্তির কাছে হাজির হয়েছে সবিশেষ গুরুত্ব নিয়ে। আর এই রিভেঞ্জ ফ্যাশনকে দারুণভাবে প্রভাবিত করছে ওই ব্যক্তির সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও ভার্চ্যুয়াল সামাজিক সমাবেশ। বাংলাদেশের বাজারে অনলাইনে কাস্টমাইজড করে বানানো পোশাকের চাহিদা বেড়েছে। এখন তাই দেশের ফ্যাশনের বাজারকে চাঙা করতে হলে ব্যক্তির দাবি বুঝে সোশ্যাল শপিংয়ের সব আয়োজনে বুটিক আর ব্র্যান্ডগুলোকে মাঠে নামতে হবে পেশাদারত্ব আর ‘ঢাল–তলোয়ার’ নিয়ে।

লাইফস্টাইল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন