বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

কয়েকজন মিলে সংসারের একটা বড় জিনিসও দিতে পারেন। এই যেমন এলইডি টেলিভিশন, ফ্রিজ, মাইক্রোওয়েভ ওভেন, ওয়াশিং মেশিন, আলমারি, শোকেস, বুকশেলফ, গয়না; এমনকি গাড়িও দিতে পারেন। সাধ আর সাধ্যের সমন্বয় করে কনেকে দিতে পারেন গয়নার বাক্স, শাড়ি, জুয়েলারি, পার্স ইত্যাদি। উপহারে দেওয়ার জন্য শাড়ি কিনতে হলে বাজেট চার অঙ্কের হলে ভালো। কনের পছন্দ ও রুচির সঙ্গে খাপ খাইয়ে নানা নকশা ও মোটিফ ডিজাইন করেও আজকাল শাড়ি উপহার দেন অনেকেই। যেমন শাড়ির আঁচলেই এঁকে দিলেন বর–কনের মুখ বা প্রিয় ফুলের সঙ্গে প্রিয় কবিতা অথবা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস (যদি ওই ক্যাম্পাসেই হয় বর–কনের প্রথম দেখা, প্রেম; তাহলে সেটা খুব স্মৃতিময় একটা উপহার হয়ে থাকবে)। এ রকম কাস্টমাইজড শাড়িও মিলবে সহজে।

default-image

বরকেও শাড়ির সঙ্গে মিলিয়ে দিতে পারেন পাঞ্জাবি। দিতে পারেন ঘড়ি, শার্ট, স্যুটের কাপড়। এ ছাড়া দিতে পারেন পারফিউম, ফটোফ্রেম, ঝাড়বাতি, কার্পেট, সংসারের জিনিস ইত্যাদি। দুজনকে একই থিমের বা একই রকম নকশা করা ঘড়ি, চাদর বা ব্যাগও কিনে দিতে পারেন। বন্ধুরা মিলে একটু বড়সড় উপহারও দিতে পারেন। হয়তো বর বা কনে বা দুজনেরই ছবি তোলার শখ। বিয়েতে তাঁকে ডিএসএলআর ক্যামেরা উপহার দিতে পারেন।

default-image

নবদম্পতির উপহার যদি হয় মধুচন্দ্রিমার দুখানি টিকিট, তবে উপহারদাতাকে নিশ্চিতভাবেই আলাদা করে মনে রাখবেন সেই জুটি। মধুচন্দ্রিমার হোটেলভাড়াটাও দিতে পারেন। বর-কনের সঙ্গে কথা বলে তাঁদের সুবিধামতো সময়ে হানিমুনের যাবতীয় ব্যবস্থা করে দিতে পারেন। বাজারে নানান দোকান ঘুরেও যদি পছন্দসই জিনিসটি বাছাইয়ের ব্যাপারে সিদ্ধান্তহীনতায় ভোগেন, তাহলে গিফট কার্ড বা ভাউচার দিতে পারেন। গিফট কার্ডের মাধ্যমে বর-কনে নিজেদের পছন্দমতো জিনিসটি কিনে নিতে পারবেন। অনেক বিয়েতে আবার উপহারের চেয়ে নগদ অর্থ দিলেই নবদম্পতির বেশি সুবিধা হয়। সেদিকটিও বিবেচনায় রাখতে পারেন। বিয়েতে যে উপহারই দেন না কেন, সঙ্গে যদি একটা ছোট চিরকুটে কোনো সুন্দর স্মৃতির সঙ্গে শুভাচ্ছাবাণী কিছু লিখে দেন, সেটা উপহারটাকে দেবে ভিন্নমাত্রা। হয়তো উপহারটা আর থাকল না, কিন্তু যে কথা দুটো লিখেছিলেন, সেটা চিরকাল সেই দম্পতির মনের কোণে ঠাঁই পেল!

লাইফস্টাইল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন