মেয়াদোত্তীর্ণ খাবার খাব কি?

ডিম মেয়াদের পর দুই-তিন সপ্তাহ পর্যন্ত খাওয়া যায়
ডিম মেয়াদের পর দুই-তিন সপ্তাহ পর্যন্ত খাওয়া যায়

আমরা অবশ্যই তারিখ দেখে খাবার, ওষুধ এসব জিনিস কিনি। তারপর হয়তো সময়মতো খেতে ভুলে যাই। ওদিকে মেয়াদ পার হয়ে গেছে। পরীক্ষা করে দেখলাম, দু-তিন মাস আগেই হয়তো মেয়াদ শেষ। কী করি? খাওয়া কি ঠিক হবে? এ বিষয়ে আগেও অনেক লেখালেখি হয়েছে। সম্প্রতি এ বিষয়ে নতুন কিছু তথ্য দিয়েছে দ্য নিউইয়র্ক টাইমস।
১. যুক্তরাষ্ট্রের ইউএসডিএ ফুড নিরাপত্তা চার্টে লেখা থাকে মুরগি বা এ ধরনের খাদ্য ফ্রিজে দুই দিন পর্যন্ত রাখা যায়। কিন্তু দোকানে আরও অনেক বেশি সময় ফ্রিজে রাখা হয়। এতে কি ক্ষতি হয়? এ বিষয়টি নিয়ে আমেরিকার বিশেষজ্ঞরা চিন্তাভাবনা করে একটি সিদ্ধান্তে এসেছেন। কোম্পানির প্যাকেটে লেখা থাকে, ‘...তারিখের আগে বিক্রি করুন’, ‘...তারিখের আগে ব্যবহার করুন’ বা ‘সবচেয়ে ভালো...তারিখের আগে’ ইত্যাদি। তবে অনেক সময় এসব বিধিবিধান মানা হয়তো সম্ভব হয় না। বিশেষজ্ঞরা বলেন, এতে যে খুব ক্ষতি হয়, তা নয়, তবে সেটা সব খাবারের বেলায় খাটে না।
২. যদি খাবার বিবর্ণ হয়ে যায়, অস্বস্তিকর গন্ধ বেরোয় বা স্বাদে টক হয়, তাহলে অবশ্যই সে খাবার বাদ দিতে হবে।
৩. পাস্তুরিত দুধ, দুধের তৈরি খাবার ও ডিম মেয়াদের পর দুই-তিন সপ্তাহ পর্যন্ত খাওয়া যায়। এসব ব্যাপারে আরও জানার জন্য savethefood. com সাইট দেখা যেতে পারে।
৪. মানুষের দ্বিধা কাটাতে যুক্তরাষ্ট্রে ফুড ডেইট ল্যাবেলিং অ্যাক্ট বিল আনা হচ্ছে। সেখানে মাত্র দুটি তারিখের বিধান রাখা হবে, ‘বেস্ট ইফ ইউজড বাই’ এবং ‘এক্সপায়ারস অন’।
সূত্র: দ্য নিউইয়র্ক টাইমস, সায়েন্স টাইমস, ১৯ জুলাই ২০১৬।