চলুন তাহলে জেনে নেওয়া যাক এ–সম্পর্কিত আরও কিছু টিপস—

প্রাকৃতিক উপাদান নাকি কৃত্রিম

সেই সব খাবারই শরীরের জন্য ভালো, যেগুলো প্রাকৃতিক উপাদানে তৈরি। তাই এমন খাবার খাবেন না, যাতে কৃত্রিম উপাদান বা ক্ষতিকর রাসায়নিক বেশি মাত্রায় থাকে। এ ক্ষেত্রে বলা যেতে পারে যে সালাদ প্রাকৃতিক উপাদানে তৈরি। তাই এটি খেলে শরীরে কোনো খারাপ প্রতিক্রিয়া হওয়ার কথা নয়। কিন্তু হটডগ বা পিৎজায় থাকে ক্ষতিকর উপাদান, ফলে সেটা খাওয়ার পর আপনার শরীরে একধরনের অস্বস্তি হতে পারে।

পুষ্টিকর খাবার না অদরকারি ক্যালরি

যে খাবার খাচ্ছেন, শরীরকে তা প্রয়োজনীয় পুষ্টি দিচ্ছে তো? নাকি শুধু ক্যালরি বাড়াচ্ছে? যেমন সালাদ—পুষ্টি ও ক্যালরি দুটোই পাওয়া যায়। কিন্তু বার্গার শুধু ক্যালরির মাত্রা বাড়ায়। তাই খাবার খাওয়ার আগে এই বিষয়ে খেয়াল রাখতে ভুলবেন না।

খাবার খেয়ে ফুরফুরে নাকি ক্লান্ত

যেসব খাবার খেলে সারা দিন শরীর চাঙা থাকে, সেসব খাবার খাওয়া ভালো। কারণ, সেগুলো স্বাস্থ্যকর। এমন খাবার এড়িয়ে চলতে হবে, যেগুলো খেলে ক্লান্ত লাগে বা মনে হয় পেটটা অনেক ভরা। ডাবের পানি বা ফলের রস খেলে শরীর অনেক সতেজ থাকে। অন্যদিকে কোমল পানীয় পান করলে পেট ভারী হয়, এমনটা হয় পানীয়তে থাকা অতিরিক্ত ক্যালরির জন্য।

পেট ভরে গেলেও কি খেয়ে যেতে ইচ্ছা করে?

পেট ভরে যাওয়ার পরও যেসব খাবার খেয়ে যেতে ইচ্ছা করে, সেগুলো যত কম খাবেন, তত শরীরের জন্য ভালো। কারণ, বেশির ভাগ ক্ষেত্রে শরীরের পক্ষে ভালো নয়, এমন খাবারই বেশি সুস্বাদু হয়। তাই চিকিৎসকেরা পরামর্শ দিয়ে বলেন, জিভ নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারলে শরীরও ভালো থাকে।

পেটের চর্বি বাড়ছে কি?

যদি দেখেন, খুব কম সময়ের মধ্যে পেটের চর্বি বেড়েই চলেছে, তাহলে সাবধান। আপনি যে খাবার খাচ্ছেন, তা হয়তো শরীরের জন্য ভালো নয়। ভুল খাবার নির্বাচন করার জন্য শরীরও খারাপ হতে থাকে। আপনার পুরো খাবারের তালিকাটা দ্রুত পরিবর্তন করে প্রাকৃতিক খাবারে অভ্যস্থ হয়ে পড়ুন।

ভালো খাবার শরীর ভালো রাখে আর খারাপ খাবার শরীরকে করে অসুস্থ। তাই নিজেই সিদ্ধান্ত নিন, ভালো থাকতে চান না খারাপ, আর সেইমতো খাবার খাওয়া শুরু করুন। বিভিন্ন রঙিন শাকসবজি ও ফলমূল শরীর সুস্থ্ এবং নিরোগ রাখে। অন্যদিকে অতিরিক্ত তেল–মসলাযুক্ত খাবার পেটের বিভিন্ন রোগের জন্য দায়ী। তাই খাবার খান বুঝেশুনে।