‘স্ট্রেঞ্জার থিংস’খ্যাত মিলি ববি ব্রাউনের বাড়ি আর জীবনযাপনও কম আশ্চর্যের নয়
১ / ১৫
‘স্ট্রেঞ্জার থিংস’-এর শেষ মৌসুমের সুবাদে আলোচনায় আছেন ‘ইলেভেন’ চরিত্রকে প্রাণ দেওয়া মিলি ববি ব্রাউন। ইনস্টাগ্রামে তাঁর অনুসারী ছাড়িয়ে গেছে ৭ কোটি ১১ লাখ।ছবি: উইকিমিডিয়া কমনস
২ / ১৫
মিলি যখন ২০১৫ সালে প্রথম ‘স্ট্রেঞ্জার থিংস’-এ অভিনয় শুরু করেন, তখন তাঁর বয়স সবে ১০ বছর পেরিয়েছে। নেটফ্লিক্সের এই সিরিজের শুটিংয়ের সেটেই মূলত বড় হয়েছেন মিলি, পেয়েছেন তুমুল জনপ্রিয়তা।ছবি: উইকিমিডিয়া কমনস
৩ / ১৫
এমনকি ছোটবেলা থেকেই শিশুশিল্পী হিসেবে পেশাজীবন শুরু করায় প্রাতিষ্ঠানিক লেখাপড়ারও সুযোগ পাননি মিলি। মার্কিন এই সায়েন্স ফিকশন হরর ড্রামার একেকটি সিজনই মিলির স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়। তবে বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের ইন্ডিয়ানা অঙ্গরাজ্যের পারডু বিশ্ববিদ্যালয়ে অনলাইনে মানবিক সেবা (হিউম্যান সার্ভিসেস) বিষয়ে কোর্স করছেন।ছবি: ইনস্টাগ্রাম থেকে
৪ / ১৫
মিলি ববি ব্রাউনের জন্ম ২০০৪ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি, স্পেনের মারবেলায়। তাঁর মা-বাবা দুজনই ব্রিটিশ। শৈশবের বড় অংশ কেটেছে ইংল্যান্ডের ডরসেটে। এরপর যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় চলে আসেন মিলিরা। তিন মহাদেশে বড় হওয়া মিলি স্কুলে যাওয়ার আগেই ভর্তি হন অভিনয়ের স্কুলে।ছবি: ইনস্টাগ্রাম থেকে
৫ / ১৫
২০১৫ সালে ‘স্ট্রেঞ্জার থিংস’-এর প্রথম সিজনের শুটিংয়ের শুরু থেকেই মিলির পরিবার ঠিক করে, তারা পাকাপাকিভাবে জর্জিয়ায় প্রাকৃতিক পরিবেশে থাকবে। কেননা জর্জিয়ার আটলান্টায় ছিল এ সিরিজের বেশির ভাগ শুটিং সেট। সেখানে প্রায় ৩০০ বছরের পুরোনো একটি ফার্মহাউস বা খামারবাড়ি কিনে থাকতে শুরু করে মিলি ও তাঁর পরিবার।ছবি: ইনস্টাগ্রাম থেকে
৬ / ১৫
২০২৪ সালের মে মাসে ১৯ বছর বয়সে মিলি ২১ বছর বয়সী সংগীতশিল্পী জেক বনজোভিকে গোপনে খুবই অল্প কয়েকজন অতিথির উপস্থিতিতে বিয়ে করেন। বিয়ের পর থেকে স্বামীকে নিয়ে পারিবারিক খামারবাড়িতেই থাকছেন মিলি। আর মিলির মা-বাবা চলে গেছেন শহরে।ছবি: ইনস্টাগ্রাম থেকে
৭ / ১৫
পুরোনো খামারবাড়িটি খুব বেশি সংস্কার করেননি মিলি। ভিক্টোরিয়ান, বোহো ও আধুনিক অন্দরসজ্জায় সেজেছে বাড়িটি।ছবি: ইনস্টাগ্রাম থেকে
৮ / ১৫
মিলিদের খামারবাড়িতে মানুষের চেয়ে গবাদি পশুপাখির থাকার জায়গাটাই বড়। সেখানে আছে গরু, ছাগল, ঘোড়া, মহিষ, মুরগি, ভেড়া, কুকুর, বিড়ালসহ নানা প্রাণী। এ ছাড়া ‘জোয়িস ফ্রেন্ডস’ নামে প্রাণীদের জন্য একটি আশ্রয়কেন্দ্রও আছে। সেখানে আছে উদ্ধার করা নানা প্রাণীর চিকিৎসাব্যবস্থা। দুজন প্রাণিচিকিৎসক পাকাপাকিভাবে থাকেন মিলিদের এই আশ্রয়কেন্দ্রে।ছবি: ইনস্টাগ্রাম থেকে
৯ / ১৫
২০২৫ সালে এক কন্যাশিশু দত্তক নিয়েছেন মিলি ও জেক। এই কন্যা আর প্রাণীদের নিয়েই সময় কাটে মিলির।ছবি: ইনস্টাগ্রাম থেকে
১০ / ১৫
কোনো সামাজিক অনুষ্ঠানে দেখা মেলে না তাঁর। ব্যক্তিগত জীবনে সর্বোচ্চ গোপনীয়তা বজায় রাখেন।ছবি: ইনস্টাগ্রাম থেকে
১১ / ১৫
বিশাল খামারবাড়িতে মিলির অন্যতম পছন্দের জায়গা খোলা রান্নাঘর। মিলির মতে, রান্না মানসিক চাপ ও উদ্বেগ দূর করার একটা চমৎকার উপায়। খোলা রান্নাঘরের সামনেই বিভিন্ন শাকসবজির বাগান। সেখান থেকে টাটকা সবজি এনে নিজেই রান্না করেন মিলি। এ ছাড়া বেশ কিছু ফুল ও ফলের বাগান আছে মিলিদের খামারবাড়িতে।ছবি: ইনস্টাগ্রাম থেকে
১২ / ১৫
হলিউড ও শহুরে কোলাহল থেকে দূরে এভাবেই সহজ, শান্ত, গ্রামীণ পরিবেশে ভালোবাসা আর পারিবারিক মূল্যবোধকে সবার ওপরে রেখে নিরিবিলি জীবন কাটাতে ভালোবাসেন মিলি।ছবি: ইনস্টাগ্রাম থেকে
১৩ / ১৫
খামারবাড়ি থেকেই ‘ফ্লোরেন্স বাই মিলস’ নামে একটি বিউটি ও স্কিনকেয়ার ব্র্যান্ডও পরিচালনা করছেন মিলি।ছবি: ইনস্টাগ্রাম থেকে
১৪ / ১৫
যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়ার এই খামারবাড়ি ছাড়াও যুক্তরাজ্যের লন্ডনে আরও একটি বাড়ি আছে মিলির। মাঝেমধ্যে সেখানে ছুটি কাটাতে যান।ছবি: ইনস্টাগ্রাম থেকে
১৫ / ১৫
এ ছাড়া যুক্তরাজ্যের দক্ষিণ-পশ্চিমে ডেভন উপকূলে, সাগরপাড়ে একটি বাড়ি কেনার জন্য খোঁজখবর করছেন মিলি ও জেক। সেটি হবে এই জুটির নতুন ছুটি কাটানোর বাড়ি।ছবি: ইনস্টাগ্রাম থেকে