মরোক্কান রক্ষণশীল পরিবার থেকে যেভাবে নোরা ফাতেহি বিশ্বকাপ ফুটবলে প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠলেন

১ / ১২
মরোক্কান বংশোদ্ভূত কানাডীয় নৃত্যশিল্পী, গায়িকা, মডেল ও অভিনেত্রী নোরা ফাতেহির জন্ম ১৯৯২ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি।
ছবি: ইনস্টাগ্রাম থেকে
২ / ১২
৩৪ বছর বয়সী নোরা ভারতীয় সিনেমা ও সংগীতজগতে কাজ করে আন্তর্জাতিক পরিচিতি লাভ করেন। নোরা তাঁর মা–বাবা বা পরিবার সম্পর্কে খুব কমই কথা বলেছেন। কেবল এটুকু জানা যায়, নোরা কানাডার টরন্টোতে অত্যন্ত রক্ষণশীল পরিবারে বড় হয়েছেন। ছোট ভাই আছে তাঁর, নাম ওমর ফাতেহি।
ছবি: ইনস্টাগ্রাম থেকে
৩ / ১২
নোরা টরন্টোর ওয়েস্টভিউ সেন্টেনিয়াল সেকেন্ডারি স্কুল থেকে স্কুলজীবনের পাঠ শেষ করেন। এরপর রাষ্ট্রবিজ্ঞান ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ে ভর্তি হন কানাডার ইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয়ে।
ছবি: ইনস্টাগ্রাম থেকে
৪ / ১২
তবে নোরা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রি সম্পন্ন করেননি। বিনোদনজগতে ক্যারিয়ার গড়ার জন্য পড়াশোনা মাঝপথে ছেড়ে ভারতে চলে আসেন।
ছবি: ইনস্টাগ্রাম থেকে
৫ / ১২
নোরা কানাডার টরন্টো থেকে পালিয়ে আসেন ভারতের মুম্বাইয়ে। ২০১৪ সালে বলিউডে ক্যারিয়ার শুরু করেন। প্রথমে বলিউডের সিনেমায় ছোট ছোট চরিত্র ও পরে নাচের মাধ্যমে ব্যাপক পরিচিতি পান। পরিবার থেকে নাচ-গান নিষিদ্ধ থাকায় নাচের কোনো প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা ছিল না নোরার। ইউটিউব দেখে বেলি, হিপহপ ইত্যাদি নাচ শিখেছেন। তবে বলিউডে জনপ্রিয়তা পাওয়ার পর পেশাদার প্রশিক্ষণ নেওয়ার সুযোগ হয়েছে।
ছবি: ইনস্টাগ্রাম থেকে
৬ / ১২
মূলত ‘দিলবার’ গানটির বিপুল জনপ্রিয়তা নোরাকে ভারতের অন্যতম জনপ্রিয় পারফরমার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে। এরপর ‘ও সাকি সাকি’, ‘গারমি’, ‘কামারিয়া’, ‘নাচ মেরি রানি’, ‘কুসু কুসুস’ ‘মানিকে’ প্রভৃতি গানে নাচ তাঁকে ভারতের জনপ্রিয় ড্যান্সিং সেনসেশনে পরিণত করে। বহু বাধা পেরিয়ে বহু সংস্কৃতির প্রতীকে পরিণত হওয়া নোরা বলিউডে সফল ক্যারিয়ার, জনপ্রিয়তা পাওয়ায় প্রায়ই বলেন, ‘আমার শিকড় মরক্কোয়, বড় হওয়া কানাডায় আর হৃদয়টা ভারতীয়।’
ছবি: ইনস্টাগ্রাম থেকে
৭ / ১২
২০২২ সালে ফুটবল বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অফিশিয়াল সাউন্ডট্র্যাক ‘লাইট দ্য স্কাই’–এর অংশ হিসেবে নোরা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আরও পরিচিতি পান। সমাপনী আয়োজনেও অংশ নেন।
ছবি: ইনস্টাগ্রাম থেকে
৮ / ১২
মূলত ২০২২ সালের বিশ্বকাপ দেশের আয়োজক কাতার, যা ছিল মধ্যপ্রাচ্য ও আরব বিশ্বের ইতিহাসে প্রথম। সেখানে মুসলিম আন্তর্জাতিক তারকারা গুরুত্ব পেয়েছেন। নোরা মরোক্কান বংশোদ্ভূত কানাডীয় তারকা, যিনি সফল ক্যারিয়ার গড়েছেন বলিউডে। তাঁর এই জাতীয় পরিচয় ও সফল ক্যারিয়ার তাঁকে বহু সংস্কৃতির প্রতিনিধি হিসেবে প্রথমবারের মতো ফিফার আয়োজনে পারফর্ম করতে সাহায্য করেছে।
ছবি: ইনস্টাগ্রাম থেকে
৯ / ১২
২০২৬ সালে নোরা আবারও ফুটবল বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের শিল্পীদের তালিকায় স্থান পান। বাংলাদেশি-মার্কিন সংগীত প্রযোজক সঞ্জয় দেবের সঙ্গে মরোক্কান-কানাডীয় বলিউড তারকা নোরা ফাতেহি ছিলেন প্রধান পারফরমার ও ভোকালিস্ট। অন্যদিকে ফরাসি–আইভোরিয়ান হিপহপ তারকা, গায়ক ও র‍্যাপার ভেজিড্রিমও কণ্ঠ দিয়েছেন এই গানে। এভাবে বহু সংস্কৃতির নানা উপাদান যোগ করে গানটিতে দেওয়া হয়েছে আন্তর্জাতিক স্বাদ, যা ফুটবল বিশ্বকাপের মূলমন্ত্র ‘উই আর ওয়ান’–এর প্রতিচ্ছবি।
ছবি: ইনস্টাগ্রাম থেকে
১০ / ১২
২০২২ সালের তুলনায় এবারের বিশ্বকাপে নোরার উপস্থিতি আরও প্রাসঙ্গিক ও গুরুত্বপূর্ণ।
ছবি: ইনস্টাগ্রাম থেকে
১১ / ১২
বলার অপেক্ষাই রাখে না, বিশ্বকাপে নোরা মরক্কোর জাতীয় ফুটবল দলের সমর্থক।
ছবি: ইনস্টাগ্রাম থেকে
১২ / ১২
বর্তমানে নোরা ফাতেহিকে কেবল বলিউড তারকা হিসেবে নয়; বরং ভারত, আরব বিশ্ব, কানাডা ও আন্তর্জাতিক পপ সংস্কৃতির মধ্যে একটি সাংস্কৃতিক সেতুবন্ধ হিসেবে ভাবা হয়।
ছবি: ইনস্টাগ্রাম থেকে

সূত্র: গালফ নিউজ

আরও পড়ুন