বিষয়ভিত্তিক চাকরি না পেলে একজন শিক্ষার্থীর নিজ বিভাগের পড়াশোনার যে মৌলিক জ্ঞান বা ভিত্তি, একটা সময় এর আর অস্তিত্ব থাকে না। কেননা, শিক্ষার্থীরা চাকরির জন্য আলাদা প্রস্তুতি নিতে গিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে নিজের বিভাগীয় পড়াশোনাকে অবহেলা করেন।

কাজেই আমি মনে করি, যদি এমন একটা নীতি হতো, কেউ তাঁর অনুষদের বাইরে অন্য বিষয় চাকরির পরীক্ষায় আবেদন করতে পারবেন না, তাহলে সমাজে ‘চাকরির পড়া’ নামে কিছু থাকত না। বিশ্ববিদ্যালয়ে তো চার থেকে ছয় বছর আমি পড়ালেখা করছি, ডিগ্রি নিচ্ছি। তাহলে চাকরির জন্য আমাকে আবার নতুন করে কেন পড়তে হবে? একাডেমিক শিক্ষাই যদি চাকরির ভিত গড়ে দেয়, তাহলে শিক্ষার্থীরা শুরু থেকেই নিজ বিষয়ের পড়ালেখাকে গুরুত্ব দেবেন।

সাধারণ জ্ঞান মানুষকে সমৃদ্ধ করে। কিন্তু বর্তমানে এটাই হয়ে গেছে চাকরি পাওয়ার হাতিয়ার। যদি বিষয়ভিত্তিক চাকরির সুযোগ থাকত, তাহলে সরকারের ব্যয় কাজে লাগত। গবেষক তৈরি হতো, একেকটি বিষয়ের ক্ষেত্রে আমরা বিশেষায়িত লোক আরও বেশি পেতাম। তাই আমি সুযোগ পেলে যে বিষয়ে পড়ালেখা, সে বিষয়ে চাকরির পথ তৈরি করতাম।

পাঠক, সুযোগ পেলে আপনি লেখাপড়ার কোন নিয়মটা বদলে দিতেন? লিখে পাঠাতে পারেন এই ইমেইলে: [email protected]