default-image

মাসে অন্তত দুবার ম্যানিকিউর ও পেডিকিউর করলে হাত–পায়ের রুক্ষ ভাব ধীরে ধীরে কমে আসে। এই যত্ন বাড়িতেই নিতে পারেন, প্রয়োজনে নেওয়া যায় পেশাদার প্রতিষ্ঠানের সহায়তা। যিনি হাত ও পায়ের পরিচ্ছন্নতা রক্ষায় এমন চমৎকার অভ্যাস গড়ে তোলেন, তিনি নিজের ভেতর দারুণ এক সতেজ ভাব অনুভব করেন বলেই জানালেন শোভন মেকওভারের কসমেটোলজিস্ট শোভন সাহা।

default-image

সরঞ্জাম

ম্যানিকিউর ও পেডিকিউর করার বিশেষ ব্রাশ কিনে নিতে পারেন। চাইলে ব্যবহৃত বা নতুন টুথব্রাশও কাজে লাগাতে পারেন। কাজটা বাড়িতে করতে চাইলে বাফার, নখ পরিষ্কারের যন্ত্রাদিও (বিশেষ ‘টুল’) রাখুন।

default-image

ধাপে ধাপে

ধাপ ১: পায়ের গোড়ালি পর্যন্ত ডোবা পানিতে পরিমাণমতো শ্যাম্পু গুলে নিন। সম্ভব হলে গোড়ালির ওপরে যতটুকু সম্ভব, পা ডুবিয়ে রাখুন। চাইলে তাতে যোগ করতে পারেন খানিকটা গ্লিসারিন ও স্যাভলন।

ধাপ ২: এই দ্রবণে হাত-পা ডুবিয়ে রাখুন। ত্বকের ধরন এবং প্রয়োজন অনুযায়ী এই ডুবিয়ে রাখার সময়টা ৫ মিনিট থেকে ৪০ মিনিট পর্যন্ত হতে পারে। হাত-পায়ের ত্বক অতিসংবেদনশীল হলে ৫-৭ মিনিট, আর ত্বক খুব বেশি রুক্ষ হলে ৩০-৪০ মিনিট। অপেক্ষার এই সময়টাতে পছন্দের গান শুনতে পারেন বা ছবি দেখতে পারেন।

ধাপ ৩: ব্রাশ দিয়ে ঘষে ঘষে এবার ত্বক পরিষ্কার করুন।

ধাপ ৪: নেলকাটার দিয়ে নখ কেটে নিন। নখের চারপাশের কোণে কোথাও ত্বকের কোনো অংশ বেড়ে থাকলে বা ত্বকের মৃত অংশ থাকলে সেটা সাবধানে সরিয়ে ফেলুন ক্ষুদ্র যন্ত্রের (নখ পরিষ্কার করার বিশেষ ‘টুল’) সাহায্যে।

ধাপ ৫: এবার স্ক্রাবিং। স্ক্রাব থাকলে সেটি ব্যবহার করতে পারেন। আবার চাইলে বাড়িতে ১ চা-চামচ টক দই আর ১ চা-চামচ ওটস মিশিয়ে স্ক্রাব তৈরি করে নিতে পারেন। তবে ত্বক রুক্ষ প্রকৃতির হলে ২ চা-চামচ টক দই, ১ চা-চামচ ওটস এবং ১ চা-চামচ চিনির মিশ্রণ ব্যবহার করা ভালো।

ধাপ ৬: কুসুম গরম পানি দিয়ে ভালোভাবে ধুয়ে নিন।

ধাপ ৭: ময়েশ্চারাইজার লাগিয়ে নিন।

ধাপ ৮: বাফার দিয়ে নখ ঘষে নিন। নখ উজ্জ্বল ও চকচকে দেখাবে। তবে নেলপলিশ লাগাতে চাইলে ভিন্ন কথা। বাফার ব্যবহার করার পর নেলপলিশ লাগানো হলে নখ ক্ষয়ে যাওয়ার প্রবণতা বাড়ে। তাই এ ক্ষেত্রে বাফার ব্যবহার না করে সরাসরি নখ সাজানোই ভালো।

নখ সাজাতে চাইলে

নেলপলিশ লাগাতে চাইলে প্রথমে বেস লাগিয়ে নিন। এরপর দিন নেলপলিশ। সবশেষে লাগিয়ে নিন টপ কোট। এতে নখ থাকবে সুরক্ষিত।

রূপচর্চা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন