বিজ্ঞাপন

ক্লিনজিং ব্যবহার

মুখের অয়েলি ভাব কমাতে ক্লিনজার ব্যবহার কার্যকরী উপায়। তবে পরিষ্কার করতে গিয়ে জোরে ঘষা দেওয়া বা চুলকানো যাবে না। এতে স্কিনে র‍্যাশ বা চামড়া ফেটে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

ব্রণে চাপ না দেওয়া

ব্রণের শাঁস বের করলেই ব্রণ ভালো হবে, এই ধারণা ভুল। উল্টো এতে ব্রণের চারপাশে ব্যাকটেরিয়া ছড়িয়ে পড়ে এবং সে জায়গাগুলোতেও ব্রণ হয়।

default-image

মুখে হাত না দেওয়া

ব্রণ কমাতে চাইলে আঙুল দিয়ে ত্বকে স্পর্শ করা যাবে না। এতে ব্রণের ব্যাকটেরিয়া আঙুলের মাধ্যমে অন্য জায়গাতেও ছড়ায়।

চোখে চশমা বা সানগ্লাস পরলে

চোখে চশমা বা সানগ্লাসের সঙ্গে ব্রণ হওয়ার সম্পর্ক রয়েছে। চশমা বা সানগ্লাস পরলে চোখের চারপাশ বা নাকের পাশ ঢাকা থাকে। ফলে এখানে বেশি বেশি তেল ও ঘাম জমে পোর বন্ধ হয়ে তা থেকেই ব্রণ হয়। তাই চেষ্টা করতে হবে একটু পরপর মুখের এই অংশ তেল ও ঘামমুক্ত রাখতে।

আঁটসাঁট কাপড় নয়

টিনেজে ব্রণের ধরন হয়ে একেবারেই আলাদা। আবার শুধু মুখে নয়, শরীরের অন্য অংশে, যেমন পিঠে বা ঘাড়ে ব্রণ হতে পারে। তখন খুব আঁটসাঁট কাপড় পরা যাবে না। এতে ত্বক প্রয়োজনমতো নিশ্বাস নিতে পারে না। ফলে ত্বকে অস্বস্তি তৈরি হয়।

default-image

ঘুমের আগে মেকআপ তোলা

এই বয়সে ব্রণ হওয়ার অন্যতম কারণ মেকআপের পর সঠিকভাবে পরিষ্কার না করা। বিশেষ করে রাতে ঘুমানোর আগে মেকআপ তোলা জরুরি। কারণ, ঘুমানোর লম্বা সময়ে ত্বক থাকে রেস্টে এবং তার প্রয়োজনীয় অক্সিজেন পায়। এ ছাড়া মেকআপ করা থাকলে ত্বক রেস্ট ও অক্সিজেন কোনোটিই পায় না। আবার ত্বকের পোরগুলোও বন্ধ থাকে, ফলে তেল জমে হয় ব্রণ। এ ছাড়া মেকআপ কেনার আগে দেখে নিতে হবে তা নন–কমেডোজেনিক অথবা নন–সিনজেনিক কি না।

চুল পরিষ্কার রাখা

চুল অপরিষ্কার রাখলে মুখের ত্বকেও তার প্রভাব পড়ে। মাথার ত্বকের ময়লা ও তেল মুখের ত্বকেও জমে, যা ব্রণের কারণ। এ ছাড়া মাথায় খুশকি থেকেও ব্রণ হয়।

default-image

রোদ থেকে রক্ষা

কিশোরকালের ত্বক হয় স্পর্শকাতর। তাই রোদের ক্ষতিকর রশ্মি ব্রণের কারণ হতে পারে। এ ছাড়া কড়া রোদে ট্যানের সমস্যা বাড়ে। আর অতিরিক্ত ক্ষতিকর সূর্যরশ্মি থেকে অনেক সময়ে ত্বকের ক্যানসারও হতে পারে।

তথ্যসূত্র: কিডসহেলথ

রূপচর্চা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন