ত্বক নরম রাখতে প্রাচীনকালে দুধ দিয়ে স্নান করত রোমানরা। অনেকেই মনে করেন, রানি ক্লিওপেট্রার সৌন্দর্যের অন্যতম কারণ নাকি দুধস্নান। এ ব্যাপারে আয়ুর্বেদিক রূপবিশেষজ্ঞ রাহিমা সুলতানা রিতা বলছিলেন, ৬৫ বছরের ওপর যাঁদের বয়স, তাঁদের ত্বকের বলিরেখা দূর করতে দুধ ভালো ভূমিকা রাখে। দুধে থাকা ভিটামিন এ এবং ডি ত্বকের রোদে পোড়া ভাব দূর করে। দুধ দিয়ে স্নানের সময় পানিতে অ্যালোভেরা মিশিয়ে কিছুক্ষণ রেখে দিলে বেশি উপকার পাওয়া যায়। যাঁদের স্নানঘরে বাথটাব আছে, তাঁরা বাথটাবে দুধ, মধু ও গোলাপ জল মিশিয়ে স্নান করতে পারেন। যাঁদের বাথটাব নেই, তাঁরা বালতির ভেতর এসব উপাদান মিশিয়ে সেটা দিয়েও স্নান করতে পারেন।

দুধ দিয়ে স্নান করার ফলে আমাদের ত্বকের আর্দ্রতা বজায় থাকে, তা ছাড়া দুধের ভেতর রয়েছে ল্যাকটিক অ্যাসিড। এই ল্যাকটিক অ্যাসিড মূলত হাইড্রোক্সি অ্যাসিড, যা ত্বক পরিচর্যায় ব্যবহৃত হয়। তা ছাড়া ল্যাকটিক অ্যাসিড ত্বকের ভেতরে থাকা মৃত কোষ দূর করতে সাহায্য করে। এই মৃত কোষ দূর হলে ত্বক হয় অনেক মসৃণ এবং উজ্জ্বল।

কাজের চাপে শরীর ও মনে ক্লান্তি আসে। এই সময় মিল্ক বাথ জাদুর মতো কাজ করে। গরম পানিতে নিমপাতা আর আদা জ্বাল দিন। এরপর পানি নামিয়ে রাখুন। কুসুম গরম অবস্থায় পানিতে গোলাপের পাপড়ি আর বেলি ফুল ছড়িয়ে নিতে পারেন। সঙ্গে পরিমাণমতো দুধ মিশিয়ে ‘মিল্ক বাথ’ করে নিতে পারেন। এই সময় স্নানঘরে মোমের আলোর ব্যবস্থা রাখতে পারেন। পরিবেশ তো অন্য রকম লাগবেই, সঙ্গে মনও হয়ে উঠবে প্রফুল্ল।