ক্রমেই লীন হয়ে যাচ্ছে বাস্তব আর অবাস্তবের মার্জিন লাইন। এই মডেলকেই দেখুন না! প্রচলিত আবেদনময়ী নারীর সব লক্ষণই রাখা হয়েছে তার মধ্যেছবি: এআই/ইনস্টাগ্রাম থেকে
২ / ১৩
ইনস্টাগ্রামে এই মডেলের নাম রাখা হয়েছে ‘আমারা’। আরবি ভাষায় যার অর্থ ‘সুন্দরী’ বা ‘শক্তিশালী নারী’। ছবিতে সুপারমডেল বেলা ও জিজি হাদিদের সঙ্গে। ছবির ক্যাপশনে লেখা হয়েছে, ‘ফ্রাইডে নাইট আউট’ছবি: এআই/ইনস্টাগ্রাম থেকে
৩ / ১৩
আমারার একটা পরিচয়ও তৈরি করা হয়েছে। আমারার জন্মস্থান বলা হচ্ছে নাইজেরিয়া। আর সে বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে মডেল ও ইনফ্লুয়েন্সার হিসেবে কর্মরত বলেও জানানো হচ্ছে। আমারাকে সত্যি হিসেবে দেখাতে ‘মায়ের সঙ্গে’ও ছবি বানানো হয়েছেছবি: এআই/ইনস্টাগ্রাম থেকে
৪ / ১৩
আরও বলা হচ্ছে, হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আর্ট, ফিল্ম ও ভিজ্যুয়াল স্টোরি বিষয়ে ২০২৬ সালে স্নাতক করেছে ২২ বছরের আমারাছবি: এআই/ইনস্টাগ্রাম থেকে
৫ / ১৩
রিয়ানার সঙ্গে আমারার এই ছবি দেখলে মনে হবে একদম বাস্তব। আদতে এআই দিয়ে তৈরিছবি: এআই/ইনস্টাগ্রাম থেকে
৬ / ১৩
সত্যিটা হলো, আমারা চরিত্রটাই এআই দিয়ে তৈরি। ইনস্টাগ্রামে দেখানো হয় ছুটির দিনে আমারা বিভিন্ন রেস্তোরাঁয় খাচ্ছে, রাস্তায় ছবি তুলছে, পার্টি করছে। একটা বাস্তব চরিত্র যা যা করে, তার সবই দেখানো হচ্ছে আমারার মধ্যেছবি: এআই/ইনস্টাগ্রাম থেকে
৭ / ১৩
সুপারমডেল কাইলি জেনারের সঙ্গেছবি: এআই/ইনস্টাগ্রাম থেকে
৮ / ১৩
জেনার ও কার্ডাশিয়ানদের সঙ্গে আমারা। অর্থাৎ, প্রতিষ্ঠিত সুপারমডেলদের চেহারা ব্যবহার করে আমারা চরিত্রের পেছনের ব্যক্তিরা কামিয়ে নিচ্ছেন কোটি কোটি টাকাছবি: এআই/ইনস্টাগ্রাম থেকে
৯ / ১৩
আমারা মূলত অনলাইন কসপ্লে আর্টিস্ট, অর্থাৎ সেজেগুজে বিভিন্ন চরিত্রের রূপ ধারণ করে। আবার মডেল হিসেবেও কাজ করে। আমারা চরিত্রটি যাঁরা তৈরি করেছেন, তাঁরা আমারাকে এভাবেই উপস্থাপন করেছেনছবি: এআই/ইনস্টাগ্রাম থেকে
১০ / ১৩
আমারার প্রতিটি ভিডিওতে গড়ে ৩ থেকে ৪ মিলিয়ন ভিউ হয়ছবি: এআই/ইনস্টাগ্রাম থেকে
১১ / ১৩
টিকটকে তাঁর অনুসারী ছাড়িয়ে গেছে ৪ লাখ ৩০ হাজার। ইনস্টাগ্রামে অনুসারী ৮৯ হাজারের বেশিছবি: এআই/ইনস্টাগ্রাম থেকে
১২ / ১৩
কাল্পনিক চরিত্র আমারা প্রতি ভিডিও থেকে গড়ে ৫ থেকে ৭ হাজার ডলার আয় করে। আমারা যে বিড়াল ভালোবাসে, বিভিন্ন ছবি আর ভিডিওতে সেটিও প্রতিষ্ঠা করা হয়েছেছবি: এআই/ইনস্টাগ্রাম থেকে
১৩ / ১৩
আমারার গড় মাসিক আয় ছাড়িয়ে গেছে ৮০ হাজার ডলার, বাংলাদেশি মুদ্রায় ৯৮ লাখ টাকার সমান। আর বার্ষিক আয় ছাড়িয়ে গেছে ১ মিলিয়ন ডলার বা ১২ কোটি টাকা। এ ধরনের কর্মকাণ্ড নিয়ে বিতর্ক থাকলেও এভাবেই এআইকে ব্যবহার করে বাস্তবের মতো কাল্পনিক চরিত্র তৈরি করে এসব চরিত্রের পেছনের ব্যক্তিরা লাখো ডলার নিজের বা নিজেদের পকেটে পুরছেনছবি: এআই/ইনস্টাগ্রাম থেকে