default-image
বিজ্ঞাপন

আজ নববর্ষ। নতুন বছরকে বরণ করার বিপুল উৎসাহ থাকলেও এ বছর সেটা করা সম্ভব হচ্ছে না বাস্তব কারণেই। এ বছর বলতেই হচ্ছে, উৎসবের চেয়ে জীবনের মূল্য বেশি। তাই এক বছর উৎসব প্রায় হবে না। ইতিমধ্যে অনেক অনুষ্ঠান বন্ধ করা হয়েছে সারা দেশে। মানুষের চলাচলের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণের কারণে। এ সব মানতেই হবে আমাদের।

সবকিছু মেনেই উৎসব হবে বাড়িতে, ঘরের চৌহদ্দিতে। সেখানেও যে যা ইচ্ছা তাই করা যাবে, তাও নয়। কারণ অনেক মানুষ একখানে জমায়েত হলেই সংক্রমণের সম্ভাবনা তৈরি হয়। এ জন্য মানতে হবে স্বাস্থ্যবিধি। এই করোনাকালে এর প্রধান উপকরণ হলো মাস্ক এবং ঘনঘন সাবান দিয়ে হাত ধোয়া। বন্ধুবান্ধবেরা বাড়িতেই আসুন আর আপনিই যান তাঁদের কাছে, এবার মুখে থাকবে মাস্ক। থাকবে নয়। রাখতেই হবে। আনন্দ করতে গিয়ে সংক্রমিত হওয়ার কোনো কারণ নেই।

default-image

দীর্ঘ মেয়াদে মাস্ক ব্যবহার করতে হতে পারে- এমন আগাম ধারণা থেকে অনেক প্রতিষ্ঠান তৈরি করছে বিভিন্ন নকশার বিচিত্র মাস্ক। এগুলো যেমন ফ্যাশনে এনেছে নতুনত্ব, তেমনি ঠেকাচ্ছে সংক্রমণ। পোশাকের সঙ্গে মিলিয়েও পাওয়া যায় মাস্ক। ফলে বিষয়টি হয়ে উঠেছে ফ্যাশনের নতুন ট্রেন্ড।

বিজ্ঞাপন

ট্রেন্ডি বিষয়টি অনেকের পছন্দ না হলেও এবার এ থেকে মুক্তি পাওয়ার কোনো উপায় নেই। বরং বলাই হচ্ছে, মাস্ক না পরলে মানুষ এখন স্মার্ট হচ্ছে না। এ ছাড়া এখন নো মাস্ক নো সার্ভিসের যুগ অথবা নো মাস্ক নো এন্ট্রির যুগ। চাইলেও মাস্ক ছাড়া অনেক কিছু করতে পারবেন না। এবারের বর্ষবরণ উৎসব যত সীমিত পরিসরেই হোক না কেন মাস্ক তাই হয়ে উঠেছে গুরুত্বপূর্ণ। বিভিন্ন ধরনের, বিভিন্ন রঙের ও নকশার মাস্ক রাখুন নিজের সংগ্রহে। যখন যে পোশাক পরছেন চাইলে তার সঙ্গে মানিয়ে পরে ফেলুন আপনার পছন্দের মাস্কটি- আবালবৃদ্ধবনিতা সবাই।

default-image

শিশুদের উপযোগী বিভিন্ন ধরনের মাস্ক পাওয়া যায় এখন হাতের নাগালে। উজ্জ্বল রঙের মাস্ক বাছুন তাদের জন্য। উজ্জ্বল রঙের ফুল-পাখি-লতাপাতার মাস্ক নিন শিশুদের জন্য। কিংবা তাদের পছন্দের বিভিন্ন কাল্পনিক চরিত্রের ছবিযুক্ত মাস্ক বাছুন। তাতে তাদের মাস্ক পরানো সহজ হবে। তাদের জন্য একাধিক মাস্ক রাখুন সঙ্গে। ঘরের বাইরে শিশুদেরও মাস্ক ছাড়া থাকতে দেবেন না।

এ বর্ষবরণে ফ্যাশন হোক স্বাস্থ্যকর। সঙ্গে থাকুক মাস্ক।

ফ্যাশন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন