বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

ব্যাগে চুমকি, পুঁথি, পাথর, জরির ব্যবহারের বদলে ছিমছাম সাজের কাঠের ব্যাগ আনতে পারে ভিন্নমাত্রা। কাঠ দিয়ে তৈরি ব্যাগ এখনকার চমক। অনলাইনভিত্তিক পেজ অহং–এর স্বত্বাধিকারী নিশাত ফেরদৌস বলেন, পুরোটাই কাঠ দিয়ে তৈরি করছি। রঙের ক্ষেত্রে কয়েকটি মাধ্যম ব্যবহার করা হয়েছে। অ্যাক্রিলিক রং, স্প্রে প্রিন্ট, ডিজিটাল প্রিন্টের ব্যাগে আনা যাচ্ছে নতুনত্ব। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট উৎসবের বিষয়বস্তু বা থিম ধরে রঙের নকশা করা হয়। এখন পর্যন্ত প্রায় ব্যাগের ২০০ নকশা করেছেন তিনি। ক্রেতারা চাইলে ফরমাশও দিতে পারেন। এক্ষেত্রে সময় লাগবে ৫ থেকে ৭ দিনের মতো।

ব্যাগের ওপর ছবি দিয়ে ডিজিটাল প্রিন্টের মাধ্যমে নতুন ধরনের ব্যাগ অনেকেই পছন্দ করছেন। এ ছাড়া জামদানি, রিকশা পেইন্ট, পটচিত্র, মোগল আমলের মোটিভও করা হচ্ছে রংতুলির ব্যবহারে।

অনলাইন পেজ সারল্যর স্বত্বাধিকারী আবিদা তাহসিনও কাজ করছেন ভিন্নধর্মী ব্যাগের নকশা নিয়ে। এই ব্যাগের উপাদান পুরোপুরি কাঠ নয়। প্লাস্টিক কাঠের এই ব্যাগগুলো ওজনে বেশ হালকা। পানি লাগলেও সমস্যা হয় না। নানা রকম থিমের মধ্যে রয়েছে ইথিওপিয়ান, মিসরিয়ান ও ইকেবানা, যা ব্যাগগুলোতে আনে বোহিমিয়ান ও পৌরাণিক ভাব।

default-image

একেবারে ভিন্নধারার এই ব্যাগের সঙ্গে কাপড় বাছাই করতে হবে কিছুটা ভাবনাচিন্তা করেই। ডিজাইনার ও ফ্যাশন হাউস বিবিআনার স্বত্বাধিকারী লিপি খন্দকার মনে করেন, এই ব্যাগগুলো যেহেতু একেবারেই বোহিমিয়ান ও পৌরাণিক ধাঁচের, তাই পোশাকেও থাকতে হবে তার ছোঁয়া। তিনি বলেন, কাঠের এই ব্যাগে বিভিন্ন রকম রং ব্যবহৃত হয়েছে। লাল, হলুদ, কমলা, সবুজ, নীল, ম্যাজেন্টাসহ সব ধরনের গাঢ় রং ব্যবহারের কারণে পোশাকে বেশি রং থাকতে পারবে না। শাড়ি পরলে তা হতে পারে মোটা পাড়ের টাঙ্গাইলের একরঙা সুতি। শাড়ির মধ্যে অনেক রং ও নকশা থাকলে ব্যাগের সৌন্দর্য হারাবে। এ ছাড়া পাশ্চাত্য ধারার পোশাকের সঙ্গে ঝুলিয়ে নিলে তরুণদের বেশ মানাবে। সে ক্ষেত্রে খুব বেশি উজ্জ্বল ও গাঢ় রঙের পোশাক বাছাই করা যাবে না। ব্যাগগুলো খুব আনুষ্ঠানিক কোথাও ব্যবহৃত হবে না। আড্ডা বা ঘুরতে যাওয়ার সময় ব্যবহার করতে পারেন। ব্যাগগুলো পাওয়া যাবে ২৫০০ টাকার মধ্যে।

ফ্যাশন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন