তবে অন্যান্য ডিজাইনারের থেকে কাইরার ড্রেস ডিজাইন করার পদ্ধতি ভিন্ন। প্রফেশনাল ডিজাইনাররা যেখানে প্রথমে ডিজাইনের স্কেচ করে, তারপর প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র জোগাড় করে সম্পূর্ণ ডিজাইনটা করে; সেখানে কাইরা প্রথমে নজর দেয় তার কাছ থাকা সামগ্রীর ওপর। হাতের কাছে যা আছে সেগুলো দিয়েই তৈরি করে নতুন ড্রেস। শুধু তা–ই নয়, বিভিন্ন জায়গা থেকে নিজের ড্রেসের প্রেরণা নেয় কাইরা। ডিজনি সিনেমা ‘এনকান্তো’, ‘হ্যামিলটন’ থেকে ফিগার স্কেটিং—সবকিছু থেকেই প্রেরণা নিয়ে তৈরি করে নিত্যনতুন ফ্যাশনেবল পোশাক।

default-image

পুরোনো পোশাককে নতুন করতেও কাইরার জুরি নেই। বিভিন্ন থ্রিফট শপ থেকে কিনে আনা পোশাককে নতুন রূপ দেয় কাইরা। আর সেটাই হয়ে যায় ভাইরাল। টিকটকে ‘কাইরা রাই ডিজাইন’ চ্যানেলে প্রতিটি ড্রেস বানানোর ভিডিও আপলোড করেন মা টোনিয়া আরাগন। ৬ লাখেরও বেশি ফলোয়ারসমৃদ্ধ এই চ্যানেলের ভিডিওগুলোতে দেখা যায় কীভাবে প্রতিটি ড্রেসের পেছনে সময় ও শ্রম দিচ্ছে কাইরা। আর সে রকমই একটি ভিডিওতে কমেন্ট করে ভালোবাসা জানিয়েছেন মার্কিন ফ্যাশন ডিজাইনার ভেরা ওয়াং। সেখান থেকে এই মা-মেয়ে জুটি পৌঁছে গেছেন মার্কিন টেলিভিশনের পর্দায়।

default-image

আমেরিকান ডে টাইম টেলিভিশন শো ‘টুডে’তে হাজির হয়েছিলেন এই মা-মেয়ে। সেখানেই নিজের ফ্যাশন ডিজাইনের প্রেমে পড়ার গল্প করেছে কাইরা, ‘৪ বছর বয়স থেকেই আমার ইচ্ছে ছিল নতুন নতুন জামাকাপড় বানানোর। আর ৫ বছর থেকেই টুকটাক সেলাই করতাম। ভবিষ্যতেও ইচ্ছে আছে এটি নিয়ে অনেক দূর যাওয়ার।’ সব মিলিয়ে ফ্যাশন ডিজাইনকেই ভবিষ্যৎ হিসেবে নিতে চায় ৯ বছর বয়সী কাইরা। বান্ধবী আরিয়ানার সঙ্গে খুলতে চায় নিজের ফ্যাশন হাউস। এর মধ্যেই ফুলেফেঁপে উঠেছে কাইরার জনপ্রিয়তা, ধরে রাখতে পারলে যে ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল, তা বলাই বাহুল্য!

default-image
ফ্যাশন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন