কাটের বৈচিত্র্যই এবারের ঈদের ধারা
ঈদে সাধারণত একটি বা দুটি ধারা জনপ্রিয় হতে দেখা যায়। জেন–জি আর মিলেনিয়ালদের পোশাকে এবার সেই রীতি ভেঙে পড়েছে। ঈদ ফ্যাশনের মূল ধারাই এবার কাটের বৈচিত্র্য।
নির্দিষ্ট একটি নকশা বা কাটে ফ্যাশনকে বেঁধে রাখা হচ্ছে না। পছন্দের ভিন্নতার কারণেই পোশাকের নকশা আর কাটেও এসেছে ভিন্নতা। একই বছর পায়ের গোড়ালি পর্যন্ত লম্বা আবার হাঁটু পর্যন্ত খাটো পোশাক ট্রেন্ডে থাকা বিরল ঘটনাই বলতে হয়। তবে এবারের ফ্যাশন হাউসগুলোতে সেটাই দেখা যাচ্ছে। তরুণীরা কামিজ, কুর্তা বা কাফতান যেটাই পরুক, তাতে দেখা যাচ্ছে একাধিক দৈর্ঘ্য আর কাটের বৈচিত্র্য।
তবে একটি বিষয় কমন আছে, সেটা হলো ঢিলেঢালা কাট। কারণ হিসেবে গরম ছাড়াও শরীরের গড়ন ঢাকার কথা জানালেন ডিজাইনাররা। মানে আপনার শারীরিক কাঠামো যেমনই হোক না কেন, সেটাকে ইতিবাচকভাবে উপস্থাপন করবে ঢিলেঢালা পোশাক।
এ বছরের ধারায় কোন বিষয়গুলো জনপ্রিয়তা পেয়েছে, চলুন একঝলকে দেখে নেওয়া যাক—
আরাম ও স্টাইল—দুটি বিষয় মাথায় রেখেই এই পোশাকটিকে বেছে নিচ্ছেন জেন-জিরা। পাশাপাশি মাঝারি লম্বা কুর্তার প্রতিও আগ্রহ দেখা যাচ্ছে। সবুজ ও লাইলাক—এই দুটি রংই এ বছর বেশি জনপ্রিয়। সবুজ রঙের সিল্কের টপ ও বটম ঈদের সন্ধ্যায় দারুণ লাগবে। নেকলাইন ও হাতায় আছে সূক্ষ্ম বিডস ও লেসের এম্বেলিশমেন্ট। ল্যাভেন্ডার রঙের ক্রাশড ক্রেপ সিল্কে করা টপটি ঈদের সকাল বা বিকেলে আউটিংয়ের জন্য আদর্শ। প্যান্টের উপকরণ ভিসকস রেয়ন।
মসলিনের ওপর ফুলের নকশা মনে করিয়ে দেয়, ঈদ এবার বসন্তে পড়েছে। ছাপা নকশার ওপর লেস, জারদৌসির কাজ এনে দিয়েছে উৎসবের আমেজ।
পায়ের গোড়ালি পর্যন্ত লম্বা কাটের পোশাকটি বেশ ঢিলেঢালা। জমকালো নকশার এই ড্রেস রাতের দাওয়াতে আনবে অভিজাত লুক। পোশাকে বেশি কাজ থাকায় মেকআপ আর চুলে রাখা হয়েছে ছিমছাম ভাব।
লম্বা কাটের প্রিন্টে কাপড়ের এই ড্রেসের হাতা লম্বা রাখা হয়েছে। বুকের কাছের নকশা বেশ ঘন। দিনের বেলা যেকোনো আয়োজনে সহজে পরা যাবে।
কমলা রঙের লিনেন সুতির কামিজ ও প্যান্ট সেটের সঙ্গে সোনালি রঙের অরগাঞ্জা ওড়না। নকশায় প্রাধান্য পেয়েছে ফুলেল ছাপা আর এমব্রয়ডারি। লেস ও টাসেলের ব্যবহারে পোশাকটিতে এসেছে উৎসবের ছোঁয়া। অন্যদিকে সি গ্রিন ডুপিয়ান সিল্কের টপ ও প্যান্ট, সঙ্গে দেওয়া হয়েছে অরগাঞ্জার লম্বা কোটি।