ব্যাগের গড়ন, ব্যাগের ধরন

default-image

স্বাচ্ছন্দ্যের জন্য হালকা ব্যাগই ভালো। স্ট্র্যাপটি হোক চওড়া ও আরামদায়ক, কাঁধে যাতে অতিরিক্ত চাপ না পড়ে। সুতি কাপড়, ডেনিম, পাট, স্ট্র (খড়) কিংবা নাইলন, পলিয়েস্টারের মতো কৃত্রিম উপাদান—এমন নানা উপকরণের ব্যাগ থেকে বেছে নিন আপনার উপযোগী ব্যাগটি। কেউ হয়তো সৈকতে বই পড়ে বা পছন্দের অডিও শুনে সময় কাটাতে চান, পানিতে নামতে চান না। কিংবা হয়তো ভাটার সময় আদিগন্ত বিস্তৃত সমুদ্রকেই দুচোখ ভরে দেখতে গেছেন কেউ, সমুদ্রের জলে নামার কোনো ইচ্ছাই নেই। কোন সময় যাচ্ছেন, কতটা সময় থাকার জন্য যাচ্ছেন, পানিতে নামবেন কি না, ধারেকাছে প্রয়োজনীয় জিনিসটি পাওয়া যায় কি না, ব্যাগ বাছাইয়ের সময় এসব মাথায় রাখুন। লম্বা সময় সৈকতে থাকলে প্রয়োজন একটু বড় ব্যাগ। প্রয়োজনীয় ছোটখাটো জিনিস ছোট ছোট ব্যাগে নিয়ে সেই ব্যাগগুলো চেম্বারবিহীন বড় ব্যাগে ঢুকিয়ে নেওয়া যায়।

ফ্যাশনে, স্বস্তিতে

default-image

ফ্যাশনদুরস্ত মানুষ আয়েশি সময়েও ফ্যাশন করতে ভোলেন না। সুতি, পাট, ক্যানভাস পলিয়েস্টারের টোট ব্যাগ দেখতে দারুণ। চাইলে পানিরোধী পাউচ হাতে নিয়ে ঘুরতে পারেন সৈকতে। হাতকে বিশ্রাম দিতে চাইলে বেছে নিতে পারেন পিঠে ঝোলানো ব্যাগ বা ব্যাকপ্যাক। ছুটির আমেজে, আনন্দমুখর সময়ে উজ্জ্বল রঙের রঙিন ব্যাগও হতে পারে আদর্শ। এই যেমন উজ্জ্বল নিওন রং। বড় প্রিন্টের এক্সোটিক নকশা, সমুদ্রের ছোঁয়ার ডোরাকাটা (নটিক্যাল স্ট্রাইপ), গ্রাফিকস কিংবা পুরাকালের চিত্রণও থাকতে পারে আপনার আধুনিক ব্যাগে। আবার একরঙা, পরিপাটি পাট বা চটের সাধারণ ব্যাগও ফুটিয়ে তুলতে পারে আভিজাত লুক। পমপম বা চাবির রিঙের মতো কিছু যোগ করেও নিতে পারেন ব্যাগে।

আরও যা

default-image

বই, লেখালেখির কাগজ কিংবা ডিজিটাল সরঞ্জাম সঙ্গে নিতে চাইলে পানিরোধী ব্যাগ বেছে নিন। এই জিনিসগুলোকে পানিরোধী ছোট ব্যাগে ঢুকিয়ে নিতে হবে। এরপর চাইলে অন্য যেকোনো বড় বা মাঝারি ব্যাগে নিয়ে নিতে পারেন।

· পানির স্পর্শে নষ্ট হয়ে যায়, এমন ব্যাগ সৈকতে নেবেন না।

· অনেক ব্যাগে চেইন বা জিপারের পরিবর্তে চৌম্বকীয় পদ্ধতিতে মুখ আটকানোর ব্যবস্থা থাকে। এমন ব্যাগ বেছে না নেওয়াই ভালো, প্রয়োজনীয় জিনিস পড়ে গিয়ে হারানোর ভয় থাকে।

· সৈকতে ঘোরাঘুরির সময় ছাড়াও আশপাশে ঘুরতে যান পর্যটকেরা। সেই প্রহরে সঙ্গে রাখতে পারেন ছোট আকারের ব্যাগ।

ফ্যাশন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন