বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

কীভাবে বুঝবেন

পেটের ডান দিকে বা নাভির চারপাশে ব্যথা হলেই যে অ্যাপেন্ডিসাইটিস হয়েছে, তা নিশ্চিতভাবে বলা যাবে না। এ জন্য দরকার অভিজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া।

অভিজ্ঞ চিকিৎসক পেটে হাত দিয়ে পরীক্ষা করে এবং কিছু উপসর্গ দেখে বলে দিতে পারেন অ্যাপেন্ডিসাইটিস হয়েছে কি না। এ রকম কিছু উপসর্গ হলো কাশি দেওয়ার সময় পেটে প্রচণ্ড ব্যথা, তলপেটের ডান বা বাঁ দিকে চাপ দিলে বিপরীত দিকে প্রচণ্ড ব্যথা অনুভব করা। যেকোনো পেটব্যথা, বিরতি দিয়ে দিয়ে জ্বর, খিদে না লাগা, বমি বমি ভাব ও বমি, কোষ্ঠকাঠিন্য—এ লক্ষণগুলো দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

চিকিৎসক প্রয়োজনবোধে আলট্রাসাউন্ড অথবা রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে অ্যাপেন্ডিসাইটিস নির্ণয় করবেন। এ ছাড়া মূত্র পরীক্ষা, পেটের এক্স-রে, পেটের সিটি স্ক্যান করেও এ রোগ নির্ণয় করা হয়।

কেন হয়

মা-বাবার কারও এ রোগ হয়ে থাকলে শিশুদের তা হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। রিফাইন্ড কার্বোহাইড্রেট খাবার বেশি খেলে, আঁশজাতীয় খাবার যেমন ফলমূল ও শাকসবজি কম খেলে এ রোগ হতে পারে।

চিকিৎসা

অ্যাপেন্ডিসাইটিস রোগের কার্যকরী ও স্থায়ী চিকিৎসা হচ্ছে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে দ্রুততম সময়ের মধ্যে অঙ্গটি কেটে ফেলা। পেট কেটে অথবা পেট না কেটে ছিদ্র করে—উভয়ভাবেই অ্যাপেন্ডিক্স কেটে ফেলা যায়।

জেনে রাখুন

সাধারণত নারীদের তুলনায় পুরুষদের অ্যাপেন্ডিসাইটিস বেশি হয়। যেকোনো বয়সেই রোগটি হতে পারে। তবে ১১ থেকে ২০ বছর বয়সীদের এ রোগ হওয়ার হার বেশি। শল্যচিকিৎসা ছাড়া অ্যাপেন্ডিসাইটিসের কোনো চিকিৎসা নেই।

অধ্যাপক ডা. আতিয়ার রহমান, কলোরেক্টাল ও ল্যাপারোস্কপিক সার্জন, ডেল্টা হেলথ কেয়ার লি., মিরপুর, ঢাকা।

সুস্থতা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন