বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ব্রণ

গরমকাল এলেই কারও কারও ব্রণের সমস্যা বেড়ে যায়। মুখের ত্বক অপরিষ্কার থাকার কারণেই মূলত এটি হয়ে থাকে। যাঁদের ত্বক তৈলাক্ত ধরনের, তাঁরা এ সমস্যায় বেশি ভোগেন। ব্রণ থেকে মুক্তি পেতে বারবার ভালো করে মুখ ধুতে হবে। কোনোভাবেই যেন ত্বকে তেল-ময়লা বসে না যায়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। অযথা অতিরিক্ত প্রসাধনী ব্যবহার করবেন না।

অ্যালার্জি

এ সময়ে অনেকেই অ্যালার্জিজনিত সমস্যায় ভোগেন। বাতাসে ধুলাবালি, ফুলের রেণু প্রভৃতির কারণে এমন হয়ে থাকে। কারও কারও ক্ষেত্রে ত্বক ফুলে ওঠে, লালচে হয়ে যায়, চুলকায়। অনেকের চামড়া শুকনো খসখসে হয়ে যায়। অ্যাকজিমার মতো জটিলতা হয়। যাঁদের ত্বক অ্যালার্জিপ্রবণ, তাঁরা এ সময় বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করবেন। বাইরে বের হলে অবশ্যই মাস্ক পরে নেবেন। ঘরবাড়ি ঝাড়ু দেওয়ার সময় নাক-মুখ ঢেকে নেবেন। অ্যালার্জি উদ্রেককারী খাবার এড়িয়ে চলতে হবে। সমস্যা বেশি হলে অ্যান্টি অ্যালার্জিক ওষুধ খেতে পারেন।

ঘাম থেকে দুর্গন্ধ

ঘাম সরাসরি দেহের বিপাকক্রিয়ার সঙ্গে সম্পর্কিত। দেহের অ্যাপোক্রিন গ্রন্থি থেকে যে ঘাম উৎপন্ন হয়, সেই ঘামে দুর্গন্ধ হয়। ঘামের কিন্তু নিজস্ব কোনো গন্ধ নেই। ঘামে একধরনের ব্যাকটেরিয়ার উৎপত্তি হয়। তারাই এই দুর্গন্ধের জন্য দায়ী। এ ছাড়া বগলসহ শরীরের বিভিন্ন অবাঞ্ছিত লোমও এই দুর্গন্ধের জন্য দায়ী। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকাই এর প্রধান প্রতিকার। পাতলা-ঢিলেঢালা পোশাক পরতে হবে। যতটা সম্ভব রোদ বা গরম আবহাওয়া এড়িয়ে চলা জরুরি। দুর্গন্ধ থেকে বাঁচতে ডিওডোরেন্ট ব্যবহার করা যেতে পারে।

default-image

সানবার্ন

প্রখর রোদে সূর্যরশ্মির কারণে সানবার্ন হয়ে থাকে। ত্বকে কালো বা লালচে দাগ হয়। সাধারণত শিশু এবং যাদের গায়ের রং বেশি ফরসা, তাদের এই সমস্যা বেশি হয়ে থাকে। সানবার্ন থেকে বাঁচতে এই গরমকালে সানস্ক্রিন ব্যবহার করা ভালো। বাইরে বের হওয়ার আগে টুপি, সানগ্লাস ব্যবহার করার অভ্যাস করতে পারলে এ সমস্যা থেকে অনেকটাই মুক্তি পাওয়া সম্ভব। ত্বকের জন্য উপকারী এমন খাবার খেতে হবে। পানি খেতে হবে পর্যাপ্ত পরিমাণে।

লেখক: চর্ম, যৌন, অ্যালার্জি, লেজার অ্যান্ড হেয়ার ট্রান্সপ্ল্যান্ট সার্জন এবং কনসালট্যান্ট ল্যাবএইড স্পেশালাইজড হাসপাতাল, ঢাকা

সুস্থতা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন