যাঁরা এই সমস্যার ঝুঁকিতে

৪০ থেকে ৬০ বছর বয়সের মানুষ, বিশেষ করে নারীরা এই সমস্যার ঝুঁকিতে থাকেন। যেসব কাজে গোড়ালিতে চাপ পড়ে যেমন দৌড়, নৃত্য; পায়ের গঠনগত সমস্যা, যেমন ফ্লাট ফুট সমস্যা ঝুঁকির কারণ। আবার যাঁদের ওজন বেশি; যেসব পেশার লোকজনকে দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে থেকে কাজ করতে হয় ও গর্ভবতী নারীদের শেষের দিকে প্লান্টার ফ্যাসাইটিস হতে পারে। যাঁরা আরথ্রাইটিস বা এনকাইলোজিং স্পন্ডেলাইটিসে ভুগছেন; যাঁরা দীর্ঘদিন শক্ত হিলের জুতা ব্যবহার করেন, তাঁরাও ঝুঁকিতে।

করণীয় কী

পায়ের যথাযথ বিশ্রাম দিতে হবে; পা উঁচু টুলের ওপর রাখার চেষ্টা করতে হবে; পায়ের ব্যথাযুক্ত জায়গায় বরফ বা আইসপ্যাক রাখতে হবে ২০ মিনিট করে ২-৩ ঘণ্টা পরপর; পা সকালে ও রাতে হালকা কুসুম গরম পানিতে ভিজিয়ে রাখা যেতে পারে ২০ মিনিট করে; ওজন কমাতে হবে; প্রশস্ত আরামদায়ক নিচু হিলের নরম জুতা ব্যবহার করতে হবে; পায়ের ওপর চাপ পড়ে না এমন ব্যায়াম, যেমন সাঁতার কাটা যেতে পারে।

যা করা যাবে না

অনেকক্ষণ হাঁটা বা দাঁড়িয়ে থাকা এড়িয়ে চলুন; হাইহিল বা আঁটসাঁট জুতা ব্যবহার করবেন না। শক্ত চপ্পল বা স্লিপারও ভালো নয়; খালি পায়ে বা শক্ত বা উঁচু-নিচু জায়গায় হাঁটা যাবে না।

চিকিৎসা পদ্ধতি

বিশ্রাম, আইসপ্যাক ব্যবহার, পা উঁচু করে রাখা আর প্যারাসিটামল-জাতীয় ওষুধ খাওয়া যেতে পারে। কারও কারও স্টেরয়েড প্রয়োগ করে সাময়িকভাবে ব্যথা কমানো যায়। কিছু ফিজিওথেরাপি কাজে আসতে পারে।

গোড়ালি ব্যথার ব্যায়াম

  • মেঝেতে বা চেয়ারে বসে যেকোনো এক পা সোজা রাখুন। এবার একটি বড় ফিতা পায়ের পাতার সামনের দিকে আটকে দিয়ে দুই প্রান্ত দুই হাত দিয়ে ৩০ সেকেন্ড ধরে হালকা চাপে রাখুন বা টানুন। এভাবে উভয় পায়ে করুন।

  • আধা লিটার পানির বোতল পুরোপুরি বরফ জমাট করে পায়ের নিচে রেখে রোল করতে হবে ৩০ সেকেন্ড।

  • হাত দিয়ে পায়ের পাতায় ম্যাসেজ করে দিতে হবে, কেন্দ্র থেকে বাইরের দিকে।

  • সিঁড়িতেপায়েরপাতারসামনেরদিকেরঅংশরেখেবাকিঅংশবাইরেরেখেযেকোনোএকপায়েরওপরভারসাম্যরেখেদাঁড়াতেহবে৩০

সুস্থতা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন