বিষয়টি নিয়ে ওই কর্মকর্তা জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে যোগাযোগ করেন। পরে তিনি হাসপাতালের সহযোগী অধ্যাপক প্রদীপ কুমার কর্মকারের অধীনে ভর্তি হন। গত রোববার প্রদীপ কুমার কর্মকার ও তাঁর সহকর্মীরা সফলভাবে রোগীর বুকে না কেটে টিএভিআর পদ্ধতিতে পুরোনো অ্যাওটিক ভালভের ভেতরে নতুন ভালভ প্রতিস্থাপন করেন।

সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকেরা বলছেন, এর মাধ্যমে দেশে প্রথমবারের মতো টিএভিআর পদ্ধতিতে বুক না কেটে, বুকের হাড় না কেটে পুরোনো ভালভের ভেতর নতুন ভালভ প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।

সহযোগী অধ্যাপক প্রদীপ কুমার কর্মকার বলেন, টিএভিআর পদ্ধতিতে বুক না কেটে সফলভাবে তুলনামূলক কম খরচে ভালভ প্রতিস্থাপন করা যায়। এই অস্ত্রোপচারে এক ঘণ্টার মতো সময় লাগে, রোগীকে অজ্ঞান করতে হয় না। অস্ত্রোপচারের তিন দিন পরই রোগী বাসায় ফিরতে পারেন।

প্রথমবারের মতো যাঁদের ভালভ প্রতিস্থাপন করতে হয়, তাঁদেরও বুক না কেটে এই পদ্ধতিতে ভালভ প্রতিস্থাপন করা যায়। এর আগে চারজন রোগীকে এই সেবা দেওয়া হয়েছে। এবার প্রথমবারের মতো এই পদ্ধতিতে আগে ভালভ প্রতিস্থাপন করা রোগীর দেহে নতুন করে ভালভ প্রতিস্থাপন করা হলো।

চিকিৎসকেরা বলেছেন, ১০ থেকে ১৫ বছর আগে যাঁদের বুক কেটে টিস্যু ভালভ প্রতিস্থাপন করা হয়েছিল, তাঁদের অনেকের ওই সব ভালভের কার্যকারিতা নষ্ট হয়ে গেছে। এসব রোগীর বেশির ভাগই আবার বুক কেটে অস্ত্রোপচার করতে চান না। সামর্থ্যবানেরা বিদেশে গিয়ে বুক না কেটে টিএভিআর পদ্ধতিতে অস্ত্রোপচার করেন। এখন জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালেই এই সেবা পাওয়া যাবে।

সুস্থতা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন