২. মানসিক স্বাস্থ্যে নিজের ওপর নির্ভরতা

আপনার ব্যক্তিগত জীবন, পেশাগত জীবন, অর্থনৈতিক অবস্থা, অন্যরা আপনাকে নিয়ে কী ভাবছে, আপনি যেসব ইভেন্টে অংশগ্রহণ করেন, আপনার জীবনসঙ্গীর মানসিক অবস্থা, আপনার মা–বাবার স্বাস্থ্য—এই সবকিছুর ওপর নির্ভর করে আপনার মানসিক স্বাস্থ্য। তাই আপনি কেবল সেগুলোর ওপরই বেশি মনোযোগী হবেন, সেগুলো আপনার নিয়ন্ত্রণে আছে! ধরুন, অন্যরা আপনার সম্পর্কে কী মন্তব্য করল, সেটি আপনার হাতে নেই। তাই সেটিকে কম গুরুত্ব দিন। প্রয়োজনে অগ্রাহ্য করুন। মোটকথা নিজের মানসিক স্বাস্থ্যের নিয়ন্ত্রণ অন্যের কাঁধে তুলে দেবেন না।

৩. নিজের গণ্ডি ছোট রাখুন

নিজেকে আপনি যতই ছড়িয়ে ফেলবেন, ততই হারিয়ে ফেলবেন। আপনার নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাবে। তাই নিজের গণ্ডি ছোট রাখাই সমীচীন। আপনার পরিবারের আপনজন, সত্যিকারের বন্ধু বা সত্যিকারের সম্পর্ক—এগুলো আপনি হারাতে দেবেন না। বাকি সবকিছু এদিক–সেদিক হলে আপনি সহজেই সেগুলো নিজের নিয়ন্ত্রণে আনতে পারবেন।

৪. ‘রিপ্লেসমেন্ট’ জরুরি

‘সেল্ফ কেয়ারে’র সঙ্গে ‘রিপ্লেসমেন্টে’র সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে। যেমন ফোসবুকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা সময় না দিয়ে ওই সময়ে ঘুমান। আট ঘণ্টা ঘুম নিশ্চিত করুন। ভুল ইনফ্লুয়েন্সার বদলে সৃজনশীল ইতিবাচক মানুষের সংস্পর্শে আসুন। বিষাক্ত সম্পর্কে আপনান যতই ‘টান’ থাকুক না কেন, বেরিয়ে আসুন। রান্নার কোর্সে ভর্তি হন। অতীতে তাকাবেন না। তাকাবেন সামনের দিকে, ভবিষ্যতের দিকে।

সুস্থতা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন