বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

প্রথমত, খাবার নির্বাচন। কীভাবে খেলে আমরা কম ক্ষতির সম্মুখীন হব। ইফতার আয়োজনে ভাজাপোড়া খাবার রাখলেও সেগুলো দিয়ে ইফতার শুরু করবেন না। প্রথমে পানি খেয়ে নেবেন। বিভিন্ন ধরনের শরবত বা একটি ডিম সেদ্ধ, সঙ্গে কয়েক টুকরা খেজুরও খেতে পারেন। সহজে হজম হয়, এমন খাবার যেমন দই-চিড়া, সবজি দিয়ে তৈরি খিচুড়ি প্রথমেই খেয়ে নিতে হবে। এরপর আমরা আমাদের পছন্দের ভাজাপোড়া খাবার খাব। তাহলে ক্ষতির পরিমাণ কম হবে।

default-image

দ্বিতীয়ত, আমরা অনেকেই ভাজাপোড়াসহ ইফতারের সব উপকরণ দিয়ে মুড়ির সঙ্গে মিশিয়ে মুড়িভর্তার মতো করি। এই খাবারটি আমাদের অনেকেরই প্রিয়। এ ধরনের খাবার প্রতিদিন না খেয়ে ভাত বা সবজি-খিচুড়ির সঙ্গে মিশিয়ে খাই, তাহলেও ক্ষতির পরিমাণ কিছুটা কম হবে এবং অ্যাসিডিটিও কম হবে। প্রতিদিন ইফতারে অনেক ভাজাপোড়া আইটেম না রেখে একটি করে খাবার রাখতে পারি। এতে করে ইফতারে ভাজাপোড়াও খাওয়া হবে আবার সমস্যাও কম হবে। ভাজাপোড়া খাবার খেলে হজমশক্তি কমে যায়, রাতে ঘুম হয় না এবং অনেকেরই ত্বকের সমস্যা দেখা দেয়। এ কারণে এই খাবার গ্রহণ করার আগে অবশ্যই সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। যাঁদের ডায়াবেটিস ও কিডনির সমস্যা রয়েছে, তাঁরা ইফতারে কী পরিমাণ ভাজাপোড়া খাবার খেতে পারবেন, সে বিষয়ে পুষ্টিবিদের পরামর্শ নিতে হবে।

default-image

তৃতীয়ত, ইফতারের জন্য ভাজাপোড়া তৈরির ক্ষেত্রে কিছু নিয়ম মেনে চলতে হবে। সাধারণত ভাজাপোড়া খাবারগুলো আমরা ডুবোতেলে রান্না করি। এই রান্না করা তেল দ্বিতীয়বার ব্যবহার করা যাবে না। একবার ব্যবহারের পর ফেলে দিতে হবে। ভাজা উপকরণগুলো থেকে তেল শুকিয়ে নেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। কিছু খাবার আছে ডুবোতেলে রান্না না করে অল্প তেলে রান্না করতে পারি। দোকান থেকে কিনে আনা ভাজাপোড়া খাবার না খেয়ে ওই খাবারগুলোই বাসায় বানিয়ে খেতে হবে। তাতে ভাজাপোড়া খেলেও রমজানে সুস্থ থাকা যাবে।

সুস্থতা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন