বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
  • হৃদ্‌রোগের কিছু কিছু ওষুধ (যেমন Nitrate) সকালে ও বিকেলে খেতে হয়, রোজায় সেগুলো সাহ্‌রি ও ইফতারের সময় সমন্বয় করা যায়। কিছু ওষুধ দিনে তিনবার নিতে হয়, সেগুলো স্লো রিলিজ ফর্মে দিনে একবার বা দুইবারে খাওয়া যায়।

  • হৃদ্‌রোগীদের মধ্যে যাঁদের ডায়াবেটিস আছে, তাঁদের বিশেষ সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে। দিনের দীর্ঘ সময় খাদ্য ও পানীয় গ্রহণ না করায় রক্তে সুগারের পরিমাণ মারাত্মকভাবে কমে যেতে পারে। হঠাৎ জ্ঞান হারিয়ে ফেললে বা মাথা ঝিমঝিম করলে, বুক ধড়ফড় করে প্রচুর ঘাম দিলে সুগারের মাত্রা কমে যেতে পারে বলে সন্দেহ করতে হবে এবং তত্ক্ষণাৎ সুগার পরীক্ষা করা সম্ভব হলে করতে হবে। ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞের সঙ্গে পরামর্শ করে ওষুধ ও ইনসুলিনের মাত্রা ঠিক করতে হবে।

  • রোজার সময় যেসব ওষুধ দ্রুত রক্তের সুগার কমায় তা এড়িয়ে চলা উত্তম। ইনসুলিনের ব্যাপারে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।

খাবারদাবার

  • তৈলাক্ত, ভাজাপোড়া খাদ্য (যেমন পেঁয়াজু, বেগুনি, কাবাব, পরোটা, হালিম ইত্যাদি) এড়িয়ে চলা উচিত।

  • ভেজানো চিড়া, কাঁচা ছোলা বা তেলমুক্ত সেদ্ধ ছোলা, খেজুর, কলা, দই এসব দিয়ে ইফতার করা যেতে পারে। পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি, লেবুর শরবত, রসাল ফল, ডাবের পানি, কমলার রস ইত্যাদি শরীরের জন্য ভালো।

  • ইফতার পরিমিত পরিমাণে হতে হবে। হঠাৎ অতিরিক্ত ইফতার করলে হিতে বিপরীত হতে পারে। পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি বা পানীয় গ্রহণ করতে হবে, যাতে দিনের পানিশূন্যতা পুষিয়ে দেওয়া যায়।

ডা. মাহবুবর রহমান, সিনিয়র কার্ডিওলজিস্ট ও সিসিইউ ইনচার্জ, ল্যাবএইড কার্ডিয়াক হাসপাতাল, ধানমন্ডি, ঢাকা

সুস্থতা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন