লক্ষণ

  • মুখ–চোখসহ শরীর ফুলে যাওয়া। ফুলে যাওয়া জায়গাগুলোতে চাপ দিলে দেবে যাবে, তবে ব্যথা থাকবে না।

  • প্রস্রাবের পরিমাণ কমে যায়, তবে রং স্বাভাবিক থাকে। অনেক সময় ফুসফুসের চারপাশে, পেটে পানি জমে যায়।

জটিলতা

  • পেটে তীব্র ব্যথাসহ পেট ফুলে শক্ত হয়ে গেলে ও প্রস্রাব বন্ধ হয়ে গেলে জটিলতা দেখা দেয়।

  • রক্ত ঘন হয়ে জমাট বাঁধার ঝুঁকি বেড়ে যায়। এতে করে অনেক সময় ফুসফুসে, মস্তিষ্কে রক্ত চলাচলে বিঘ্ন হতে পারে।

পরীক্ষা

প্রস্রাবের সাধারণ একটা পরীক্ষা করে সহজেই এ রোগ নির্ণয় করা সম্ভব। তবে রোগের অবস্থা বুঝতে রক্তের আরও দু–একটা পরীক্ষার প্রয়োজন হয়।

করণীয়

  • আক্রান্ত শিশুকে চিকিৎসকের দেওয়া ওষুধ খাওয়াবেন ও নিয়ম মেনে চলবেন।

  • প্রস্রাব জ্বাল দিয়ে আমিষের অবস্থা বোঝার চেষ্টা করা। চিকিৎসক বা নার্সের কাছ থেকে শিখে বাড়িতেই তা করা যায়।

  • আমিষজাতীয় খাবার অর্থাৎ কুসুম ছাড়া ডিম, মাছ, মাংস, ডাল বেশি খেতে দিতে হবে।

  • খাওয়ার পানি মেপে দিতে হতে পারে, সে ক্ষেত্রে প্রস্রাবের পরিমাণ মাপতে হবে।

  • খাবারে আলাদা লবণ দেওয়া যাবে না।

  • ছেলেশিশুদের অণ্ডকোষ ফুলে গেলে ছোট বালিশ বা অন্য কিছু দিয়ে একটু উঁচু করে রাখলে ভালো ফল দেবে।

মনে রাখুন

  • সাধারণত জ্বর, প্রস্রাবে জ্বালা বা ব্যথা থাকে না।

  • আক্রান্ত শিশু আপাতদৃষ্টে স্বাভাবিক থাকে; চলাফেরা, খেলাধুলা—সবই ঠিক থাকে।

দ্রুত চিকিৎসকের কাছে যাবেন। যদি বাচ্চা

  • ৮-১০ ঘণ্টা একনাগাড়ে প্রস্রাব না করে;

  • পেট ফুলে যায়;

  • জ্বর আসে; শ্বাসকষ্ট হয়।

অধ্যাপক ডা. আবিদ হোসেন মোল্লা, বিভাগীয় প্রধান, শিশুরোগ বিভাগ, বারডেম হাসপাতাল

সুস্থতা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন