ডায়রিয়া হলে কী করবেন

  • সাবধানতা অবলম্বন করার পরও অনেকে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হচ্ছেন। ডায়রিয়া হলে পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিতে হবে, বারবার খাবার স্যালাইন খেতে হবে। সঙ্গে অন্যান্য তরল যেমন পানি, ডাবের পানি, চিড়ার পানি ইত্যাদিও খেতে পারেন। পানিশূন্যতা যেন না হয়ে যায়, সেদিকে নজর দেওয়া জরুরি, বিশেষ করে শিশু ও বৃদ্ধদের ক্ষেত্রে।

  • ডায়রিয়ার সময় স্বাভাবিক খাবার গ্রহণ করুন। সহজপাচ্য ও পরিচ্ছন্ন খাবার খান। শিশুরা মায়ের বুকের দুধ বন্ধ করবে না। সব ধরনের পুষ্টিগুণসম্পন্ন খাবার গ্রহণ করবে।

  • চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোনো অবস্থাতেই অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়া যাবে না। শিশুদের ক্ষেত্রে ঠিকমতো প্রস্রাব হচ্ছে কি না, কাঁদলে চোখে পানি আসে কি না, নেতিয়ে যাচ্ছে কি না, চোখ গর্তে ঢুকে যাচ্ছে কি না, এগুলো খেয়াল রাখতে হবে।

  • ডায়রিয়া সাধারণত নিজে নিজেই সেরে যায়। কেবল পানিশূন্যতা রোধে যথেষ্ট স্যালাইন ও তরল খেলেই হলো। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে কোনো ওষুধ লাগে না।

  • তবে কয়েকটি কারণে রোগীকে চিকিৎসক অথবা হাসপাতালে নিয়ে যেতে হতে পারে। যেমন পানিশূন্যতা দেখা দিলে, ডায়রিয়ার সঙ্গে বারবার বমি, জ্বর, পেটে ব্যথা, পেট ফুলে যাওয়া ও পায়খানার সঙ্গে রক্ত গেলে। বিশেষ করে শিশুদের বিষয়ে সতর্ক হওয়া জরুরি।

সতর্ক থাকুন

  • ডায়রিয়া প্রতিরোধ করা সম্ভব। ডায়রিয়া যেহেতু খাবার ও পানীয়ের মাধ্যমে ছড়ায়, তাই অবশ্যই বিশুদ্ধ পানি পান করতে হবে। বাইরের পানি ও খাবার পরিহার করুন। রাস্তার ধারের শরবত, আখের রস, লেবুপানি পান করবেন না। বাইরে গেলে সঙ্গে পানির বোতল রাখুন।

  • পানি ফুটিয়ে পান করা সবচেয়ে বেশি নিরাপদ। ফ্রিজের খাবার অবশ্যই ভালো করে গরম করে খেতে হবে। বাসি খাবার খাবেন না। খাওয়ার আগে ও শৌচাগার ব্যবহারের পর অবশ্যই সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে নিতে হবে। এ ছাড়া ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা খুব জরুরি।

সুস্থতা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন