পরামর্শ: সাধারণত কোলেস্টেরলের পরিমাণ বেড়ে গেলে, বিলিরুবিন বেশি তৈরি হলে পিত্তে পাথর হওয়ার ঝুঁকি থাকে। এ ছাড়া অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস, স্থূলতা, ট্রান্সফ্যাটজাতীয় খাবার পিত্তে পাথর হওয়ার ঝুঁকি তৈরি করে। সিরোসিস বা রক্ত ভেঙে যাওয়ার রোগ থাকলেও এটি হতে পারে। ঝুঁকি কমাতে নিয়মিত ও পরিমিত খাদ্যাভ্যাস জরুরি। উচ্চ আঁশযুক্ত খাবার, যেমন শাকসবজি, ফলমূল, বাদাম প্রভৃতি খেতে হবে। নিয়মিত শরীরচর্চা ও কায়িক পরিশ্রম করবেন। বছরে অন্তত একবার চেকআপ (আলট্রাসনোগ্রাফি) করানো দরকার।