আলোচনা শেষে দুটি সেশনে শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা। তাঁরা শারীরিক স্বাস্থ্যের পাশাপাশি মানসিক স্বাস্থ্যও যে সমান গুরুত্বপূর্ণ—এ বিষয়ে বিশেষভাবে আলোকপাত করেন। শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা, ঘুম, খাদ্যাভ্যাস, ব্যায়াম—সবকিছুতে নিয়মানুবর্তিতা মেনে চলতে পরামর্শ দেওয়া হয়। নিরুৎসাহিত করা হয় অপ্রয়োজনে রাত জেগে মুঠোফোন ব্যবহার করা ও ফাস্ট ফুড গ্রহণে।

অধিকাংশ শিক্ষার্থীর মধ্যে পড়াশোনায় মনোযোগের অভাব, ভালো ফলের জন্য পরিবারের চাপ, সামাজিক চাপ, উচ্চতা, গায়ের রং, ওজন ইত্যাদি নিয়ে পারিপার্শ্বিক মন্তব্য, শিশুদের ওপর মা–বাবা ও পারিবারিক সমস্যার প্রভাব, একাকিত্ব, করোনা–পরবর্তী মানসিক সমস্যা, মুড সুইং, অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা, মুঠোফোনের প্রতি মাত্রাতিরিক্ত আসক্তি ইত্যাদি থেকে মুক্ত হওয়ার বিষয়ে জানার আগ্রহ দেখা গেছে।

ভিকারুননিসা নূন স্কুল ও কলেজের অধ্যক্ষ কামরুন নাহার, শাখাপ্রধান সঙ্গীতা ইমাম, মোহসিন তালুকদার ও ওয়াহিদা জাফর এ ধরনের সময়োপযোগী ও সচেতনতামূলক অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য এসকেএফ ফার্মাসিউটিক্যালসকে ধন্যবাদ জানানোর পাশাপাশি ভবিষ্যতেও শিক্ষক ও অভিভাবকদের নিয়ে এমন অনুষ্ঠান আয়োজনের আহ্বান জানান।

এসকেএফ ফার্মাসিউটিক্যালসের বিপণন বিভাগের প্রধান খালিদ মাহমুদ তাঁর বক্তব্যে কোভিড–পরবর্তী সময়ে শিশুদের মানসিক স্বাস্থ্যের বিকাশ, রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বৃদ্ধিসহ বেড়ে ওঠার প্রতিটি ধাপে জিংকসহ অন্যান্য ভিটামিন ও খনিজ উপাদানসমৃদ্ধ সুষম খাদ্যের ভূমিকার ওপর আলোকপাত করেন। এ ছাড়া তিনি এ ধরনের অনুষ্ঠান আয়োজনের সুযোগ করে দেওয়ার জন্য ভিকারুননিসা নূন স্কুল ও কলেজ কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানান এবং সামাজিক দায়িত্ববোধ থেকে ভবিষ্যতেও অন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোয় এমন অনুষ্ঠান আয়োজনের আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

 অনুষ্ঠান শেষ হয় শিক্ষার্থীদের মনোমুগ্ধকর দেশাত্মবোধক গান পরিবেশনের মাধ্যমে। এসকেএফ, প্রথম আলো এবং জিংক বি–র ফেসবুক পেজ থেকে অনুষ্ঠানটি সরাসরি সম্প্রচার করা হয়।