কোনো স্থানে রক্তক্ষরণ যেমন পাইলস বা আন্ত্রিক কোনো জটিলতা অথবা মাসিকের সময় স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি রক্তপাত বা দীর্ঘ সময় ধরে চলা মাসিক রক্তস্বল্পতার বড় কারণ। রক্তস্বল্পতার সঙ্গে দ্রুত যদি কারও ওজন কমে যাওয়ার ইতিহাস থাকে এবং শরীরে কোথাও কোনো চাকা অনুভূত হয়, দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া জরুরি।

সঠিক সময়ে রক্তস্বল্পতার চিকিৎসা করা না হলে দেখা দিতে পারে কার্ডিয়াক অকার্যকরের মতো জটিলতা। সঠিক চিকিৎসার জন্য আগে দরকার সঠিকভাবে রোগনির্ণয়। হিমোগ্লোবিনের মাত্রা, শরীরে আয়রনের ঘাটতির পরিমাণ জেনে খুঁজে বের করতে হবে রক্তস্বল্পতার কারণ। সমস্যা শনাক্ত করার জন্য ডাক্তার নিজে রোগীকে দেখবেন, প্রয়োজনে কিছু পরীক্ষা করাবেন। আয়রনের ঘাটতি পূরণের জন্য মুখে বা শিরায় আয়রন দেওয়া যায়। তবে কারণটির চিকিৎসাও করতে হবে।

তাই দুর্বল বা ক্লান্তি লাগলে অবহেলা নয়। চিকিৎসাসেবা নিন।

*ডা. রোজানা রউফ: সহযোগী কনসালট্যান্ট, মেডিসিন বিভাগ, স্কয়ার হাসপাতাল, ঢাকা