উপসর্গ

পানিশূন্যতা, তলপেটে প্রচণ্ড ব্যথা, পেটফাঁপা বা পেটে চাপ অনুভব করা, মল নিয়ন্ত্রণে রাখতে না পারা, বমিভাব বা বমি, জ্বর ও হালকা মাথাব্যথা থাকতে পারে, ঘন ঘন পিপাসা পাওয়া, স্বাভাবিকের চেয়ে কম প্রস্রাব হওয়া, শরীর অতিরিক্ত দুর্বল হয়ে যাওয়া ইত্যাদি।

চিকিৎসা

ডায়রিয়ায় শরীর থেকে পানি ও লবণ বেরিয়ে যাওয়ায় পানিশূন্যতা ও ইলেকট্রোলাইটের অসমতা দেখা দিতে পারে। সতর্ক না হলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে। ডায়রিয়ায় পানিশূন্যতা ও লবণের ঘাটতি পূরণ করাই এর মূল চিকিৎসা। পানিশূন্যতা পূরণে রোগীকে স্যালাইন ও প্রচুর তরল খাবার খাওয়াতে হবে। পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিতে হবে। ধীরে ধীরে স্বাভাবিক ও পুষ্টিকর খাবার খাওয়াতে হবে। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ছয়বারের বেশি মলত্যাগ করলে এবং মল যদি চালধোয়া পানির মতো হয়, তাহলে সেটি কলেরার লক্ষণ। সে ক্ষেত্রে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিতে হবে।

প্রতিরোধ

ডায়রিয়া প্রতিরোধে স্বাস্থ্যসম্মত জীবনযাপন ও খাদ্যাভ্যাসের পাশাপাশি আরও যেসব বিষয় মাথায় রাখা জরুরি—

  • বিশুদ্ধ পানি পান করুন।

  • খাবার খাওয়ার আগে ও পরে হাত ভালোভাবে ধুয়ে নিন।

  • বাইরের খোলা খাবার এড়িয়ে চলুন।

  • রান্না করা খাবার বেশিক্ষণ বাইরে রেখে দেবেন না।

  • মলত্যাগে স্যানিটারি পায়খানা ব্যবহার করুন।

  • মলত্যাগের পর ভালোভাবে সাবান দিয়ে হাত পরিষ্কার করুন।

  • নিজে পরিষ্কার থাকুন ও আশপাশ পরিচ্ছন্ন রাখুন।

  • বারবার হাত ধোয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন।

অধ্যাপক ডা. সমীরণ কুমার সাহা, সিনিয়র কনসালট্যান্ট, মেডিসিন বিভাগ, ল্যাবএইড স্পেশালাইজড হাসপাতাল