মনে রাখুন

  • মেঝে বা উঠান পরিষ্কার করতে ছোট ঝাড়ু ব্যবহার করলে বেশি ঝুঁকতে হয়। এতে

কোমর ও মেরুদণ্ডে চাপ পড়ে। দাঁড়িয়ে

পরিষ্কার করা যায়—এমন ঝাড়ু বা মপ ব্যবহার করবেন।

  • দীর্ঘ সময় বসে কাটাকুটির ফলে ব্যাক পেইন হতে পারে। সামনে ঝুঁকে অনেকক্ষণ কাজ করার কারণেও ব্যাক পেইন হতে পারে। তাই একনাগাড়ে কাটাকুটি করবেন না। বিরতি নিন।

  • চেয়ারে বসে বা টেবিলের সামনে দাঁড়িয়ে কাটাকুটি করতে পারলে ভালো।

  • চেয়ারে বসতে হবে মেরুদণ্ড ও ঘাড় সোজা রেখে।

  • নিয়মিত হাঁটা, দৌড়ানো কিংবা শরীরচর্চায় ব্যাক পেইনের ঝুঁকি কমে।

যা করতে হবে

  • সব সতর্কতার পরও ব্যথা শুরু হতে পারে এ সময়। যদি মেরুদণ্ডে ব্যথা হয়, তবে শক্ত বিছানায় বা মেঝেতে মাদুর বা ম্যাট বিছিয়ে

টান টান হয়ে শুয়ে থাকুন। প্রতিদিন ১৫ মিনিটের এ ব্যায়াম পিঠের ব্যথা কমাতে অনেক

সাহায্য করে।

  • নিয়মিত রিলাক্সেশন বা মেডিটেশনের ফলে শরীরের মাংসপেশিগুলো শিথিল হয়। এতে ব্যথা উপশম হয়।

  • দরকার হলে চিকিৎসকের পরামর্শে দু–তিন দিন ব্যথানাশক ও মাসল রিলাক্সেন্ট খেতে পারেন।

মেনে চলুন

  • ঈদের ছুটিতেও ব্যায়ামের কথা ভুলে যাওয়া চলবে না। প্রাত্যহিক রুটিন ধরে রাখুন।

  • দিনে ২০ মিনিট হাঁটুন।

  • পরিমিত বিশ্রাম নিন।

  • ওজন যাতে না বাড়ে, সেদিকে খেয়াল রাখুন।

অধ্যাপক মো. আবু সালেহ আলমগীর, চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ পেইন, ফিজিওথেরাপি অ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টার (বিপিআরসি), ঢাকা

সুস্থতা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন