চুল-ত্বকের চিকিৎসায় এক্সোসোম থেরাপি কী, কতটা নিরাপদ

চুল ও ত্বকের চিকিৎসায় যুগান্তকারী বা নতুন দিগন্তের সূচনা করেছে এক্সোসোম থেরাপি চিকিৎসা পদ্ধতি। এই পদ্ধতিতে স্টেম সেল থেকে পাওয়া ন্যানো পার্টিকেল ক্ষতিগ্রস্ত কোষকে পুনরুজ্জীবিত করে। এটি সার্জারি ছাড়া চুল পড়া রোধ ও ত্বকের বয়সের ছাপ দূর করতে অত্যন্ত কার্যকর একটি চিকিৎসা পদ্ধতি।

চুল ও ত্বকের চিকিৎসায় যুগান্তকারী বা নতুন দিগন্তের সূচনা করেছে এক্সোসোম থেরাপি চিকিৎসা পদ্ধতি
ছবি: আনস্প্ল্যাশ

চুলের চিকিৎসায়

চুল পড়া ও টাকের চিকিৎসায় এটি অত্যন্ত কার্যকর। এক্সোসোমের ভেতরে থাকা গ্রোথ ফ্যাক্টর ও প্রোটিন সরাসরি মাথার ত্বকের হেয়ার ফলিকলে পৌঁছায়। এটি নিষ্ক্রিয় বা মৃতপ্রায় ফলিকলগুলোকে আবার সক্রিয় করে, যার ফলে প্রাকৃতিকভাবে নতুন চুল জন্ম নেয়। অতিরিক্ত চুল পড়া কমায় ও চুলের গোড়া শক্ত করে।

ত্বকের চিকিৎসায়

ত্বকের পুনরুজ্জীবন ও তারুণ্য ধরে রাখতে এটি ভূমিকা পালন করে। ত্বকে থাকা কোলাজেনের উৎপাদন বাড়িয়ে সূক্ষ্ম রেখা ও বলিরেখা দূর করা যায় এই পদ্ধতিতে। ব্রণের দাগ ও সূর্যের আলোর কারণে ক্ষতিগ্রস্ত ত্বক মেরামতে সাহায্য করে। এ ছাড়া ত্বকের তারুণ্য ও উজ্জ্বলতা ফিরিয়ে আনে এবং স্কিন টোন উন্নত করে।

কতটা সুরক্ষিত

নন-সার্জিক্যাল অর্থাৎ অস্ত্রোপচারবিহীন হওয়ায় এটি একটি নিরাপদ পদ্ধতি। সাধারণত মাইক্রো-নিডলিং বা সরাসরি সূক্ষ্ম ইনজেকশনের মাধ্যমে ত্বকে বা স্কাল্পে এক্সোসোম প্রবেশ করানো হয়।

বাংলাদেশে এখন বিভিন্ন ডার্মাটোলজি ও এস্থেটিক সেন্টারে এ থেরাপি দেওয়া হচ্ছে। আর যেকোনো উন্নত চিকিৎসার মতো, সঠিক ফল আর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া এড়াতে অবশ্যই একজন অভিজ্ঞ ডার্মাটোলজিস্টের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

ডা. জাহেদ পারভেজ, সহকারী অধ্যাপক, ত্বক-চর্ম-যৌন ও হেয়ার ট্রান্সপ্ল্যান্ট বিভাগ, সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, ঢাকা

আরও পড়ুন