৩০ জন স্বেচ্ছাসেবক এই গবেষণায় অংশ নেন। দুই মাস ধরে প্রতিদিন তাঁদের ১ হাজার ৭০০ ক্যালরির খাবার দেওয়া হয়। সকালের নাশতা, দুপুরের খাবার আর সন্ধ্যার খাবার—এই তিন ভাগে ভাগ করা হয় তাঁদের ক্যালরি। প্রথম মাসে সকালের খাবারে ক্যালরি ছিল সবচেয়ে বেশি (মোট ক্যালরির অর্ধেক), দুপুরের খাবারে কম, সন্ধ্যার খাবারে সবচেয়ে কম। পরের মাসে উল্টো পদ্ধতিতে খাবার দেওয়া হয়। সকালে সবচেয়ে কম, দুপুরে আরেকটু বেশি, সন্ধ্যায় সবচেয়ে বেশি। ‘সেল মেটাবলিজম জার্নাল’–এ প্রকাশিত এই গবেষণায় দেখা গেছে, রাতের খাওয়া মেটাবলিক হারের ওপর কোনো প্রভাব ফেলে না। প্রভাব ফেলে সকালের খাওয়া। এটিই শরীরের স্বাভাবিক বিপাকীয় কর্মকাণ্ড সচল রাখে। সকালের ভারি নাশতা ক্ষুধা নিবৃত রাখতেও সাহায্য করে।

default-image

সকালের ভারি নাশতায় সম্ভাব্য কী কী থাকতে পারে, পুষ্টিবিদদের পরামর্শে তারও একটা তালিকা দেওয়া হয়েছে। ওটমিল, প্যানকেক, স্যান্ডউইচ, আটার রুটি, খিচুড়ি, পাউরুটি, স্মুদি, দই, ডিম, সসেজ, মাশরুম, ফল, গ্রিন টি। এই গবেষণায় অন্যতম গবেষক অধ্যাপক জসস্টোন বলেন, ব্যস্ততম জীবনে মানুষ সর্বোচ্চ সময় ঘুমাতে চান। আর এ কারণে তাঁরা প্রায়ই সকালের নাশতা না খেয়েই বেরিয়ে পড়েন। রাতে ভারি খাবার খান। এটা একদম ভুল।

default-image
সুস্থতা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন