৩. ব্রেস্ট অগমেন্টেশন, রিডাকশন, মাস্টোপেক্সি: এসবই হলো স্তনের অস্ত্রোপচার। স্তনের আকার ছোট, অতিরিক্ত বড় কিংবা ঝুলে গেলে ফ্যাট গ্রাফটিং অথবা ইমপ্ল্যান্টের মাধ্যমে স্তনের আকার–আকৃতি ঠিক করা যায়। স্তন ক্যানসারে আক্রান্ত রোগীদের স্তন অপসারণের পর তা মেরামত করা যেতে পারে।

৪. গাইনেকোমেশিয়া: পুরুষদের স্তন অযাচিত রকম বড় হলে তাঁরা সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন হতে পারেন। দাগবিহীন সার্জারির মাধ্যমে লাইপোসাকশন বা চর্বি অপসারণ করে এ সমস্যার সমাধান করা যায়।

৫. রাইনোপ্লাস্টি: ভোঁতা নাক, নাকের বাঁশি বাঁকা অথবা প্রসারিত নাকের মানুষেরা অ্যাসথেটিক রাইনোপ্লাস্টির মাধ্যমে সুন্দর নাকের অধিকারী হতে পারেন।

৬. লিপ অগমেন্টেশন/রিডাকশন: পুরু ঠোঁটকে চিকন এবং পাতলা ঠোঁটকে ফ্যাট গ্রাফটিং বা ফিলারের মাধ্যমে পুরু করে তোলা যায়।

৭. ব্লেফারোপ্লাস্টি: কোঁচকানো চোখের পাতা (ওপর/নিচ) সার্জারির মাধ্যমে, কোনো কোনো ক্ষেত্রে বটক্স থেরাপির মাধ্যমে টান টান করা সম্ভব।

৮. ব্রাউপ্লাস্টি: ভুরুর সৌন্দর্য বাড়ানোর অস্ত্রোপচার।

৯. ফেস লিফট: সার্জিক্যাল এবং নন-সাজিক্যাল পদ্ধতিতে মুখমণ্ডলের কোঁচকানো চামড়া টান টান করা যায়।

১০. বাট লিফট: অনেকেই নিতম্বের সৌন্দর্য বাড়ানোর জন্য ফ্যাট গ্রাফটিং বা ইমপ্লান্টের মাধ্যমে নিতম্বের গঠন পরিবর্তন করতে চান।

১১. ভ্যাজাইনোপ্লাস্টি: জন্মগত ত্রুটি বা অন্য কোনো কারণে নারীর জননেন্দ্রীয়তে সমস্যা থাকলে এ সার্জারি করা হয়।

অনেকের ধারণা কসমেটিক বা অ্যাসথেটিক সার্জারি মানে কেবল চেহারার বা শরীরের সৌন্দর্য বৃদ্ধি, আসলে তা নয়। পুড়ে যাওয়া বা যেকোনো দুর্ঘটনা-পরবর্তী বিভিন্ন অঙ্গের আকৃতি বা অস্ত্রোপচার–পরবর্তী অঙ্গহানির সমস্যা দূর করতে কসমেটিক সার্জারির কোনো বিকল্প নেই। তবে যে কেউ এ ধরনের সার্জারি করতে চাইলে আগে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেবেন।

*ডা. জাহেদ পারভেজ: সহকারী অধ্যাপক, চর্ম, যৌন ও হেয়ার ট্রান্সপ্ল্যান্ট সার্জারি বিভাগ, শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, ঢাকা