ঝুঁকিগুলো জানুন

১. ধূমপান বা মদপান।

২. স্থূলতা।

৩. হেলিকোব্যাকটার পাইলোরি সংক্রমণ।

৪. আগে পাকস্থলীর অস্ত্রোপচার।

৫. খাবারে তাজা ফল ও শাকসবজির অভাব।

৬. প্রক্রিয়াজাত খাবার, বাড়তি লবণ দেওয়া, গ্রিল বা পোড়ানো খাবার গ্রহণ।

৭. পাকস্থলীর অ্যাডেনোমেটাস পলিপ।

৮. খুব নিকট রক্তসম্পর্কের আত্মীয়দের মধ্যে ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার ইতিহাস।

৯. কিছু বংশগতিক রূপান্তর (সিডিএইচ১)।

১০. ভিটামিনের অভাব, প্রধানত ভিটামিন এ, সি।

প্রতিকার

খাদ্যাভ্যাস ও জীবনাচরণে পরিবর্তন এনে পাকস্থলীর ক্যানসার প্রতিহত করা সম্ভব।

১. নিয়মিত তাজা ফল ও শাকসবজি খান।

২. শারীরিক পরিশ্রম করুন এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন।

৩. হেলিকোব্যাকটার পাইলোরি সংক্রমণ থাকলে নির্মূল করতে হবে।

৫. ধূমপান বা মদপান বর্জন করুন।

৬. উল্লেখিত উপসর্গসমূহ দেখা দিলে নিজে নিজে গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ সেবন না করে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হবেন।

রোগনির্ণয়

সাধারণত এন্ডোস্কোপির মাধ্যমে দ্রুত রোগনির্ণয় সম্ভব। পরে পেটের সিটিস্ক্যান করে রোগের বিস্তার নির্ণয় করা হয়। রোগের স্টেজিং বা বিস্তারের ওপর নির্ভর করে চিকিৎসা।

চিকিৎসা

ক্যানসারের শুরুতে রোগ ধরা পড়লে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে ৯০ শতাংশ রোগী সেরে উঠতে পারেন। তবে রোগ খুব বেশি অগ্রসর হয়ে গেলে অপারেশন বা কেমোথেরাপির পরও খুব বেশি দিন রোগীকে বাঁচিয়ে রাখা কঠিন হয়ে পড়ে।

*ডা. খান মো. নাজমুস সাকিব: সহকারী অধ্যাপক, গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি বিভাগ, জহুরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, কিশোরগঞ্জ