অ্যাকিউট সাইনুসাইটিস বা সাইনাসের তীব্র প্রদাহ কেন হয়, সমাধান কী

সাইনুসাইটিস একটি অতি সাধারণ রোগ। ২৫ শতাংশ মানুষ এ রোগে ভুগে থাকেন। নাকের চারপাশে থাকা অস্থিগুলোতে বাতাসপূর্ণ কুঠুরি থাকে, যাদের সাইনাস বলা হয়। সাইনুসাইটিস হলো এসব সাইনাসের ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণ।

নাকের চারপাশে থাকা অস্থিগুলোতে বাতাসপূর্ণ কুঠুরি থাকে, যাদের সাইনাস বলা হয়; সাইনুসাইটিস হলো এসব সাইনাসের ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণ।ছবি: ফ্রিপিক

সাইনাসের কাজ

  • মাথা হালকা রাখা।

  • মস্তিষ্ককে আঘাত থেকে রক্ষা করা।

  • সাইনাসগুলো কণ্ঠস্বরকে অনুরণিত ও সুরেলা করে।

  • দাঁত ও চোয়াল গঠনে সহায়তা করে।

  • মুখমণ্ডল গঠনে সাহায্য করে।

আরও পড়ুন

সাইনাসের প্রদাহ কেন হয়

সাইনাসগুলোর প্রদাহের মধ্যে ম্যাক্সিলারি সাইনাসের প্রদাহ সবচেয়ে বেশি হয়ে থাকে। নাকের সংক্রমণ থেকেই আসে ৯০ শতাংশ। এ ছাড়া আসে ওপরের দাঁতের ইনফেকশন থেকে, যা ওপরের চোয়াল থেকে ছড়ায় এবং এটি ম্যাক্সিলারি সাইনাস বা কুঠুরির কাছাকাছি অবস্থিত।

রোগের লক্ষণ

  • নাকের পাশে, মাথার সামনের দিকে ও মাথার দুই পাশে ব্যথা।

  • মাথা ভারী হওয়া বা ভারী ভারী লাগা।

  • নাক দিয়ে পানি পড়া।

  • নাক বন্ধ থাকা।

  • কাজকর্মে অনীহা।

আরও পড়ুন

চিকিৎসা

সাইনাস সংক্রমণের জন্য প্রাথমিকভাবে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ সেবন করতে হবে। যেহেতু সাইনুসাইটিস একটি ব্যাকটেরিয়াজনিত অসুখ, তাই চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী অ্যান্টিবায়টিক ওষুধ সেবন করতে হবে। ব্যথার জন্য ব্যথানাশক ওষুধ খাওয়া যেতে পারে। নাকের ড্রপ ও অ্যান্টিহিস্টামিন–জাতীয় ওষুধও সেবন করা যেতে পারে। এ ছাড়া নাকে গরম পানির ভাপ (মেনথল দিয়ে) নিলে অনেক বেশি উপকার পাওয়া যায়।

অধ্যাপক ডা. এম আলমগীর চৌধুরী, নাক কান গলা বিভাগ, আনোয়ার খান মডার্ন মেডিকেল কলেজ, ধানমন্ডি, ঢাকা

আরও পড়ুন