• পিসিওএস থাকলে হাই ফাইবার, লো-কার্ব ডায়েট মেনে চলতে হবে। ভাত-রুটি, ময়দার তৈরি খাবারের মতো শর্করা কম খেতে হবে। শাকসবজি, ডাল, বীজ—এগুলো বেশি করে খাওয়া প্রয়োজন।

  • মাটির তলার সবজি, যেমন আলু, শাঁখআলু, গাজর, বিট একটু কম খাওয়াই ভালো।

  • ফল খেতে পারবেন। তবে আম, কলা, লিচু, আঙুর—এসব ফলে কার্বোহাইড্রেট বেশি, তাই পরিমিত খেতে হবে।

  • ভাজাপোড়া, জাঙ্ক ফুড, প্রসেস করা খাবার, যেমন কেক, পেস্ট্রি, চকলেট, পাউরুটি, বার্গার, সসেজ ডায়েট থেকে বাদ রাখতে হবে।

  • মিষ্টি, আইসক্রিম, বোতলের ঠান্ডা পানীয় যত কম খাওয়া যায়, তত ভালো।

  • রেড মিটের বদলে চিকেন বা মাছ খান।

  • ডিম রোজ চলতে পারে। ডাল খেতে পারেন।

  • নানা রকম বীজ খাওয়া যেতে পারে, যেমন চিয়া সিড, ফ্ল্যাক্স সিড, কুমড়ার বীজ, সূর্যমুখীর বীজ ইত্যাদি।

  • হাই ফাইবারযুক্ত সবজি, যেমন ফুলকপি, ব্রকলি, লেটুসপাতা, কুমড়া, বিন ইত্যাদি ডায়েটে রাখুন।

  • কাঠবাদাম, আখরোট, যেকোনো ধরনের বেরি, শসা, টমেটো, আপেল, নানা রকম লেবু খেতে পারেন।

  • রান্নায় অলিভ অয়েল বা যেকোনো খাঁটি তেল ব্যবহার করতে পারেন।

  • মাঝেমধ্যে চকলেটের বদলে ডার্ক চকলেট এক টুকরা করে চলতে পারে।

  • স্যাচুরেটেড ফ্যাটের বদলে গুড ফ্যাট বেছে নিন।

  • পিনাট বাটার বা আমন্ড বাটারের মতো বাদাম থেকে তৈরি মাখন ব্যবহার করতে পারেন পাউরুটিতে।

মনে রাখুন

  • পিসিওএসের রোগীদের হৃদ্‌রোগ, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি বেশি। তাই একে অবহেলা করা যাবে না।

  • পিসিওএসের চিকিৎসার একটি বড় অংশ হলো ওজন নিয়ন্ত্রণ আর খাদ্যাভ্যাস। তাই এদিকে বেশি জোর দিতে হবে।

ডা. শারমিন আব্বাসী, সহযোগী অধ্যাপক, স্ত্রীরোগ ও প্রসূতিবিদ্যা বিভাগ, আনোয়ার খান মডার্ন মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল

সুস্থতা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন