লেবু বা আচার ঠিকভাবে খাচ্ছেন তো
স্বাদ বৃদ্ধির জন্য আমরা খাবারের সঙ্গে লেবু বা আচার খেয়ে থাকি। লেবু বা আচারে আছে বেশ পুষ্টিগুণ, কিন্তু অনেক সময় অজ্ঞতার কারণে এসব পুষ্টিগুণ থেকে আমরা বঞ্চিত হই।
লেবুর পুষ্টিগুণ
প্রচুর ভিটামিন সি আছে। একটি লেবুর রস দৈনিক চাহিদার প্রায় অর্ধেক ভিটামিন-সির চাহিদা পূরণ করতে পারে
অ্যান্টি–অক্সিডেন্ট আছে, যা ক্যানসার নিরাময়ে সাহায্য করে
রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ায়
ক্ষত নিরাময়ে বিশেষ ভূমিকা পালন করে
ওজন কমাতে লেবুর রসের ভূমিকা অপরিসীম
অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল হিসেবে কাজ করে
কিডনিতে পাথর হওয়া থেকে বিরত রাখে
আচারের পুষ্টিগুণ
উল্টো দিকে আচার একটি নিম্ন ক্যালরিসম্পন্ন খাবার
প্রোবায়োটিকস আছে, যা খাবার হজমে বিশেষ ভূমিকা রাখে
প্রচুর ক্যালসিয়াম আছে
রক্তে গ্লুকোজ কমাতে সাহায্য করে
ওজন কমায়
যেভাবে লেবু বা আচারের ভিটামিন নষ্ট হয়ে যায়
লেবুতে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন–সি, বেশি তাপে এই ভিটামিন নষ্ট হয়ে যায়
আচারে আছে বিভিন্ন ধরনের ভিটামিন, তার মধ্যে বেশির ভাগই পানিতে দ্রবীভূত ভিটামিন। যেমন ভিটামিন ‘বি’ ও ‘সি’। সেগুলো তাপে নষ্ট হয়ে যায়।
যেসব খাবার পরিপাকের জন্য টকজাতীয় ফল দরকার
কিছু খাবার আছে যেমন আয়রন পরিপাকের জন্য ভিটামিন–সি বা টকজাতীয় ফল দরকার হয়। শরীরে রক্তের ঘাটতি দূর করার জন্য অতীব প্রয়োজনীয় একটি উপাদান আয়রন। সুতরাং শরীরে ভিটামিন–সির অভাব হলে রক্তস্বল্পতায় আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বেড়ে যায়।
আচারে ব্যবহৃত লবণ ও মিষ্টি সম্পর্কে কিছু তথ্য
যাঁরা হৃদ্রোগজনিত জটিল রোগে ভুগছেন, তাঁরা আচার খাওয়া থেকে বিরত থাকবেন। কারণ, আচারে প্রচুর লবণ থাকে, যা এসব রোগীর জন্য ক্ষতিকর।
আচারে মিষ্টি ব্যবহৃত হলে ডায়াবেটিসের রোগীদের আচার খাওয়ার ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে। কারণ, এতে রক্তে গ্লুকোজ বেড়ে যেতে পারে
বেশির ভাগ আচার সংরক্ষণের জন্য ভিনেগার ব্যবহার করা হয়, যা রক্তে গ্লুকোজ এবং ওজন কমাতে সাহায্য করে
খাবারের স্বাদ বাড়ানোর জন্য অনেক উপাদান ব্যবহৃত হয়; তবে সব ক্ষেত্রে পুষ্টিগুণ ঠিক রেখে সঠিক নিয়মে সেসব উপাদান ব্যবহার করা উচিত।