৪. বেলা ৩টা থেকে বিকেল ৫টা ৫৯

এটি শারীরিক পরিশ্রমের জন্য সেরা সময়। এই সময় শরীরের তাপমাত্রা সবচেয়ে বৃদ্ধি পায়। হাঁটা বা ‘ওয়ার্ম আপ’ জাতীয় ব্যায়াম আপনি করতেই পারেন। এই সময় হার্ট ও ফুসফুস সবচেয়ে ভালো থাকে। শরীরের মাংসপেশিও শতকরা ৬ ভাগ শক্তিশালী থাকে। অনেকেই এই সময় দৌড়ে বা ‘অ্যাথলেটিক’ কিছু করে রেকর্ড গড়েছেন।

default-image

৫. সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ৮টা ৫৯

এই সময়ের যত শুরুর দিকে আপনি রাতের খাওয়া সেরে নেবেন, তত ভালো। যত দেরি করবেন, তত খারাপ। অর্থাৎ সন্ধ্যা ৬টায় যদি রাতের খাবার খেয়ে নেন, সবচেয়ে ভালো। ৮টা ৫৯–এ খেলে বেশ দেরি হয়ে যায়। তবে এই সময়ের মধ্যে ভারি কিছু খাওয়া যাবে না। এটি নিজেকে নিয়ে ভাবার জন্য ভালো সময়।

৬. রাত ৯টা থেকে রাত ১১টা ৫৯

এই সময় ঘুমের হরমোন মেলাটোনিন নিঃসৃত হতে থাকে। শরীরের তাপমাত্রা কমতে থাকে। ঘুমিয়ে পড়ার সেরা সময়।

default-image

৭. ১২টা থেকে রাত ২টা ৫৯

এই সময় স্লিপ হরমোন মেলাটোনিন সর্বোচ্চ পরিমাণে নিঃসৃত হয়। এর মানে এই সময় আপনার গভীর ঘুমে থাকার কথা। সারা দিনে মস্তিষ্ক নানা কর্মকাণ্ডে যত দুশ্চিন্তা জড়ো করেছে, এই সময় সেগুলো সব ধুয়েমুছে যায়। এই সময়ও আপনার মস্তিষ্কের বেশ কিছু অংশ কার্যকর থাকে। তবে এই সময় আপনার মনোযোগ থাকে সবচেয়ে কম। তাই রাতের পালায় এই সময় ইন্ডাস্ট্রিয়াল দুর্ঘটনা হওয়ার আশঙ্কা থাকে সবচেয়ে বেশি।

৮. রাত ৩টা থেকে ভোর ৫টা ৫৯

এই সময় শরীরের তাপমাত্রা সবচেয়ে কম থাকে। অ্যাজমা এটাকের আশঙ্কা বেশি থাকে। এটি স্বাভাবিকভাবে বাচ্চা প্রসবের সেরা সময়। যদিও এই সময়ও স্লি হরমোন মেলাটোনিনের নিঃসরণ সর্বোচ্চ থাকে। এই সময় ‘ক্ষয়পূরণমূলক কার্যক্রম’ (রিপেয়ারিং অ্যাকটিভিটি) যেমন: কোথাও কেটে গেলে সেরে ওঠা, নতুন চামড়া ওঠা—এগুলো বেশি হয়।

সুস্থতা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন