২. পানির সঙ্গে আড়ি

শরীরচর্চার আগে–মাঝে–পরে পানি না খাওয়া একটি মারাত্মক ভুল। শরীর ঠান্ডা করতে এবং রক্তের সঞ্চালন ঠিক রাখতে পানির কোনো বিকল্প নেই। শরীরচর্চা শুরুর আগে কিছুটা পানি খেয়ে নিন। শরীরচর্চা চলার সময়ও ১৫ মিনিট অন্তর ১৫০-২০০ মিলি পানি খাওয়া উচিত। শরীরচর্চা শেষে ধীরেসুস্থে পানি খেতে হবে আরও বেশ খানিকটা।

৩. ‘ওয়ার্ম আপ’ এবং ‘কুল ডাউন’ না করা

সময় বাঁচাতে গিয়ে ‘ওয়ার্ম আপ’ অর্থাৎ শরীর গরম করে নেওয়ার ধাপটি বাদ দেবেন না। ‘ওয়ার্ম আপ’ করার ফলে শরীরে রক্ত সঞ্চালন বাড়ে, পেশি শিথিল হয়, বিস্তৃত পরিসরে নাড়ানো যায় অস্থিসন্ধি বা জয়েন্ট। তাই ভারী ব্যায়াম (যেমন পেশির স্ট্রেচিং) শুরুর আগে ৫-১০ মিনিট হালকা হাঁটাহাঁটি, জগিং বা ধীরেসুস্থে সাইকেল চালিয়ে ‘ওয়ার্ম আপ’ করে নেওয়া আবশ্যক। শরীরচর্চা শেষে শরীরকে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে ‘কুল ডাউন’ অর্থাৎ হালকাভাবে পেশি স্ট্রেচিং করতে হবে কিছুক্ষণ।

৪. ভুল দেহভঙ্গি

শরীরচর্চার জন্য চাই সঠিক দেহভঙ্গি। নইলে বাড়বে ব্যথা-বেদনা, শরীরচর্চার সুফলটাও সঠিকভাবে পাওয়ার সম্ভাবনা কমবে। ট্রেডমিল ব্যবহারের সময় কিংবা ওজন তোলার সময় ভুল দেহভঙ্গির কারণে ঘটতে পারে দুর্ঘটনাও। ট্রেডমিল ব্যবহারের সময় এর ওপর ঝুঁকে পড়া যাবে না। ওজন তোলার সময় পিঠ সোজা রাখুন, কাঁধ সামনের দিকে ঝুঁকিয়ে ফেলা যাবে না। হাঁটা বা দৌড়ানোর সময়ও বজায় রাখতে হবে সঠিক দেহভঙ্গি।

৫. শরীরচর্চার সময় সামাজিকতা

বন্ধুদের সঙ্গে শরীরচর্চা করতেই পারেন, আবার একই জায়গায় একই সময়ে শরীরচর্চা করতে করতে নতুন বন্ধুও তৈরি হতে পারে। কিন্তু শরীরচর্চার সময় সামাজিকতার দিকে খুব বেশি মনোযোগ না দেওয়াই ভালো। হালকা কথাবার্তা চলতেই পারে, কিন্তু শরীরচর্চায় নিজের লক্ষ্য থেকে বিচ্যুত হওয়া যাবে না। তবে শরীরচর্চার আগে বা পরে আলাপ চলতে পারে, ছুটতে পারে হাসির ফোয়ারা।