উৎসবের উদ্বোধন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মো. আখতারুজ্জামান। পরদিন ছিল নির্বাচিত শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্রগুলোর প্রদর্শনী। এ ছাড়াও ‘নেভিগেটিং দ্য ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি’ শীর্ষক একটি আলোচনা পর্ব অনুষ্ঠিত হয় সেদিন। এ পর্বে অংশ নেন চলচ্চিত্র নির্মাতা যুবরাজ শামীম, মাহদী হাসান ও মোহাম্মদ তৌকির ইসলাম। চলচ্চিত্রশিল্পে নবাগতরা কী ধরনের সমস্যার মুখোমুখি হন—সে বিষয়ে মতবিনিময় হয় এ আয়োজনে।

বিশ্ববিদ্যালয়পড়ুয়া তরুণ চলচ্চিত্র নির্মাতাদের উৎসাহ দেওয়াও এ উৎসবের উদ্দেশ্য। আয়োজকেরা জানালেন, এবারের আসরে ৯১টি দেশ থেকে ১ হাজার ১৪৭টি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র জমা পড়েছিল। বিচারকদের নির্বাচিত ১৬৯টি চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হয়েছে ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেটসহ দেশের ৫টি বিভাগে।

এবারের আসরের শ্রেষ্ঠ স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র হিসেবে জহির রায়হান সেরা স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছে তুরস্কের চলচ্চিত্র নির্মাতা ভলকান গুনে একেয়ারের ছবি লার্ভা। তারেক মাসুদ সেরা উদীয়মান পরিচালকের পুরস্কার জিতেছেন বিজয় বি সরকার। দ্য লাস্ট মুন নামের স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের জন্য তিনি এ পুরস্কার পান। বিভিন্ন বিভাগে আরও সাতটি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রকে পুরস্কৃত করা হয়৷

পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চলচ্চিত্র নির্মাতা নাসির উদ্দীন ইউসুফ, ডিইউএফএসের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও চলচ্চিত্রকর্মী বিপ্লব মুস্তাফিজ, স্টার সিনেপ্লেক্সের চেয়ারপারসন মাহবুব রহমান এবং জাতিসংঘ শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআরের প্রতিনিধিরা। উপস্থিত ছিলেন দ্য লাস্ট মুন চলচ্চিত্রের কলাকুশলীরাও।

এ উৎসবের সব প্রদর্শনী ছিল সবার জন্য উন্মুক্ত। বিনা মূল্যে দর্শক ছবিগুলো উপভোগ করেছেন।

এবারের উৎসবের ফেস্টিভ্যাল পার্টনার ছিল জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর। সহযোগী ছিল প্রথম আলো। আর ভেন্যু সহযোগী ছিল স্টার সিনেপ্লেক্স।