আপনার রাশি
আপনি নিজেই আপনার ভাগ্য নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন শতকরা ৯০ থেকে ৯৬ ভাগ। বাকিটা আমরা ফেট বা নিয়তি বলতে পারি। ভাগ্য অনেক সময় অনির্দিষ্ট কারণে আপনা থেকেও গতিপথ বদলাতে পারে। এখানে রাশিচক্রে আমি ‘নিউমারলজি’ বা ‘সংখ্যা-জ্যোতিষ’ পদ্ধতি প্রয়োগ করেছি।
মেষ
বাবা, ভাত খেয়েছ? তুই ভাত খেয়েছিস, মা? বাঙালি সংসারের একটি নৈমিত্তিক অভিব্যক্তি। কত আদর, উৎকণ্ঠা আর ভালোবাসায় ভরা! এর জায়গায় আপনি লাঞ্চ-ডিনার বললেও কথা ভুল হবে না, তবুও কিছু একটা যেন ফাঁকা রয়ে যাবে না কি? প্রিয় মেষ, শিক্ষকতা করার যোগ্যতা কিংবা অধিকার আমার নেই, শুধু অনুরোধ করছি—নিজের লাইফস্টাইলটা সঠিক পথে চলছে কি না দেখে নিন। এটাই তো হবে আপনার সংস্কৃতি। পছন্দ না হলে আমার কথা গ্রহণ করবেন না।
বৃষ
লেখকদের বিস্তর পড়াশোনা করতে হয়। অনেক পড়ে তাঁরা তুলনামূলক ছোট এবং স্বল্পমূল্যের একটি বই লেখেন। ওই বই আমাদের চোখের সামনে খুলে দেয় নতুন আলোর জানালা। এভাবে আমরাও কেউ কেউ যে মৌলিক লেখক হয়ে উঠতে পারি না তা নয়। আসুন, তাহলে আপেক্ষিক কম দামে কেনা ছোট্ট একটি বই হাতে নিয়ে নিজের চিন্তাকে আজ পাল্টাই। এভাবেই রচিত হোক আপনার নতুন—নতুন রাশিফল।
মিথুন
স্থির হোন। শান্ত হোন। একাগ্রচিত্ত হোন এবং এভাবেই সমস্যার সামনে এসে দাঁড়ান। আপনার শান্ত মূর্তি দেখেই সমস্যা ভয়ে পালিয়ে যাবে।
কর্কট
দুজন মানুষের মধ্যে বন্ধুত্ব অনেক সময় সহজেই হয়ে যেতে পারে। সেটা টিকে থাকবে কি না, তা নির্ভর করছে অনেকগুলো ফ্যাক্টরের ওপর। তার মধ্যে আমাকে যদি প্রশ্ন করেন তো আমি বলব, বিশ্বাস এবং ভালোবাসা। কোনটা আগে কিংবা কোনটা পরে, তা নয়। দুটিকেই থাকতে হবে সমান্তরাল। এদের মধ্যে আবার চৌম্বকত্বও রয়েছে। কে জানে বোঝাতে পারলাম কি না। ভাবুন, চোখ বন্ধ করে ভাবুন মিয়া-বিবিরা, জবাব পেয়ে যাবেন।
সিংহ
ইনি ক্রাচ বগলে নিয়ে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে হাঁটছেন। দেখে উনি বললেন, ঠ্যাঙে কী হইসে মিয়া? ইনি জবাব দিলেন, আর কইও না মিয়া, পইড়া গেছিলাম। উনি বললেন, আখখারে! কই পড়লা, ক্যামনে পড়লা? ইনি জানালেন, পিরিতির শক্ত উঠানে। উনি বিশ্রী হেসে বললেন, খুব ভালো হইসে। ইনি খেঁকিয়ে উঠলেন, অ্যাই মিয়া, হাসেন ক্যান, দেখেন না কিমুন ব্যথা পাইসি!...প্রিয় পাঠক, চলতি সপ্তাহে কথায় কথায় ব্যালেন্স হারাবেন না। মেজাজ শরিফ ঠান্ডা রেখে চলুন।
কন্যা
এ সপ্তাহে এই রবীন্দ্রসংগীতটি হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের কণ্ঠে শুনুন: তুই ফেলে এসেছিস কারে মন মন রে আমার...।
তুলা
ওপরে বলা গানটি আপনিও শুনুন, বিশেষ করে এই জায়গাটি তো আপনারই জন্য,...তাই জনম গেলো, শান্তি পেলিনে রে ওরে মন রে আমার।...
বৃশ্চিক
সপ্তাহটি আমরা উপহার দিতে চাই প্রধানত নারী বৃশ্চিকদের করকমলে। অনেক আনন্দের উপলক্ষ জুটবে, এই আমাদের আশা এবং বিশ্বাস।
ধনু
যতই হাতে থাক রেনকোট আর মাথায় থাক ছাতা, বৃষ্টিতে এর মধ্যে একদিন ভিজে চূর হয়ে যেতেই হবে আপনাকে। বিলকুল!
মকর
কুড়ি বছরের ওপরে হয়ে গেল আপনাদের জন্য এই হাবিজাবিগুলো লিখে যাচ্ছি। কী আশ্চর্য, আপনারা পড়েন কেন এগুলো! কেউ কেউ আমার লেখার জটিলতা নিয়ে অনুযোগ করেন। দোষটা তো আসলে আমারই। খুশি হতাম, যদি লিখতে পারতাম, আজ রাস্তা পারাপারে সাবধান। কাল যন্ত্রে হাত দিতে হুঁশিয়ার ইত্যাদি ধরনের প্রভৃতি। পারিনি, পারছি না, পারবও না কোনো দিন। এভাবেই বোধ হয় নিজের রাশিফলটা ভুল করে দিয়ে দিলাম মকরের খোপে। দেখা হবে। কথা হবে।
কুম্ভ
কাল সকালে ঘুম থেকে উঠে খুব হাসিমুখে নিজেকে জানাবেন একটা সু-সু সুপ্রভাত!
মীন
এত স্মৃতিকাতর হওয়ার কী আছে! অতীতের মধ্যেই পড়ে থাকবেন যদি, তাহলে আপনার আজ, কাল এবং পরশুর সব কাজ কে করে দেবে শুনি? আমি?