শিকার নিয়ে ছুটে আসে কেন

ইঁদুর, টিকটিকি বা পোকামাকড় শিকার করতে ভালোবাসে বিড়াল। শিকার করা এসব প্রাণীকে আপনার জন্য ‘উপহার’ হিসেবে নিয়ে এলে ভয় পাবেন না, রাগও করবেন না। এমনটা করলে বুঝতে হবে, আপনাকে সে নিজের পরিবারের একজন হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। নিজের দক্ষতা আপনাকে দেখিয়ে পরিতৃপ্তি পাচ্ছে।

তবে বহুতল ভবনের বিড়াল শিকার করতে গিয়ে আচমকা লাফিয়ে পড়ে গিয়ে মারাত্মক দুর্ঘটনায় পড়ার আশঙ্কা থাকে। তাই এমন ভবনের বারান্দা, জানালায় নেট লাগানো আবশ্যক। এসব ভবনের ছাদ বা সিঁড়িঘরেও বিড়ালকে যেতে না দেওয়াই ভালো।

শিকারের বাসনা তবে পূরণ করবে কী করে? নানা ধরনের খেলনা কিনে দিন বিড়ালকে (খেলনা ইঁদুর বা লোমশ কিছু)। সেগুলো দিয়েই তার শিকারের বাসনা পূরণ হবে।

কেন বক্সে ঢুকতে ভালোবাসে

শিকারি বন্য বিড়াল গাছে বা গুহায় লুকিয়ে শিকারের জন্য ওত পেতে থাকে। ঘরের বিড়ালও তাই বাক্সে লুকিয়ে থাকতে ভালোবাসে। শীতল আবহাওয়ায় পোষা বিড়াল উষ্ণ থাকতে পারবে, একটি আরামদায়ক কার্টনের বাক্সে। কার্ডবোর্ডের দু–একটি বাক্সে ছোট ছোট ছিদ্র করেও দিতে পারেন, যা দিয়ে ‘হাত’ বাড়াতে পারবে সে। ছিদ্রের সামনে কিছু একটা ঝুলিয়ে দিলে হাত বাড়িয়ে সেটা দিয়ে খেলতে পারে বিড়াল।

প্রবাহিত পানি ভালোবাসে কেন

বিড়ালের জন্য রাখা পাত্র থেকে পানি খেতে পছন্দ না-ও করতে পারে সে। পানির ওপর ময়লার আস্তর পড়তে পারে কয়েক ঘণ্টায়ই। পাত্র থেকে পানি খেতে গিয়ে পাত্রের কিনারায় বা পানিতে গোঁফ ঠেকে অস্বস্তিও হতে পারে তার। কিন্তু কলের প্রবাহমান পানি টাটকা, পরিষ্কার, তুলনামূলক বেশি অক্সিজেনসমৃদ্ধ; এর স্বাদটা আলাদা।

ধীরগতিতে ছেড়ে রাখা কলের পানি মুখ বাড়িয়ে খেতে তাই ভালোবাসে অনেক বিড়াল। তবে সব বিড়ালই এমন নয়। তাই বিড়ালের পাত্রের পানি ঘন ঘন বদলে দিন।

সূত্র: রিডার’স ডাইজেস্ট