বিজ্ঞাপন

প্রথমেই মনোযোগ দিতে হবে ড্রয়িংরুমের দিকে। ঘরটি সুন্দর করে গুছিয়ে ফেলুন। ভ্যাকুয়াম ক্লিনার বা ঝাড়ু দিয়ে ঝুল এবং মেঝের ধুলো ময়লা পরিষ্কার করে নিন। আনাচে–কানাচে জমে থাকা ময়লাও পরিষ্কার করতে ভুলবেন না। ফ্যান বা এসিগুলোও ড্যাম্প কাপড় দিয়ে ভালো করে মুছে ফেলুন।

default-image

পরিষ্কার–পরিচ্ছন্নতা শেষে ঘর সাজানোর পালা। ঘরের দেয়ালের সঙ্গে রং মিলিয়ে সোফার কভার হলে ভালো হয়। সঙ্গে উজ্জ্বল রঙের কুশন মানাবে। এতেই ঘরের চেহারায় অনেকটাই পরিবর্তন আসবে। সেন্টার টেবিলও সাজাতে হবে। টেবিলের টপ যদি হয় কাচের, তাহলে প্রথমে ধুলো ঝেড়ে নিয়ে। এবার পরিষ্কার কাপড়ে গ্লাস ক্লিনার নিয়ে ভালো করে মুছে ফেলুন। টেবিল ঝকঝক করবে। অনেকে বলবে টেবিল যদি হয় কাঠের, তবে উপায় কী। এ ক্ষেত্রে একটি সহজ হোমমেড পালিশ হচ্ছে, অলিভ অয়েল ও লেবুর রসের তৈরি মিশ্রণ। সপ্তাহে অন্তত একবার মিশ্রণটি দিয়ে কাঠ মুছলে, দেখতে উজ্জ্বল লাগবে।

অনেকেরই অভ্যাস অফিস বা বাইরে থেকে ঘরে ঢুকে চাবি, কলম, চশমা ইত্যাদি সেন্টার টেবিলে জড়ো করে রাখে। ঘর সুন্দর রাখতে চাইলে অভ্যাসটা বদলাতে হবে। কারণ, টেবিলের ওপর সুন্দর একটা ফুলদানিই সবচেয়ে সহজ ও আকর্ষণীয় উপাদান। এখন নানা ধরনের রঙিন ফুলও পাওয়া যায়। সম্ভব হলে তাজা ফুলে ঘর সাজান।
ড্রয়িংরুমের আরও একটি জরুরি বিষয় পরদা। খেয়াল রাখতে হবে পরদা যেন ঘরের দেয়ালের সঙ্গে মানানসই হয়।

default-image

সুন্দর দু–একটি পেন্টিং ড্রয়িংরুমের আবহই বদলে দেয়। দেখতেও নান্দনিক। ড্রয়িংরুমে শোকেস পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। এবং শোপিসগুলোও গুছিয়ে রাখতে হবে। বড় শোপিস অনেক সময়ই বেমানান। তবে ছোট শোপিস বা কাচের জিনিস বাচ্চাদের থেকে দূরে রাখা উচিত।

অতিথি আসার আগে, ড্রয়িংরুমে একটা ওয়েস্ট বিন রাখুন। যাতে অতিথিদের ছোটখাটো ময়লা ফেলতে অসুবিধা না হয়। ওয়েস্ট বিনের ভেতরে একটা গারবেজ ব্যাগও রেখে দিন।

অতিথিদের জুতা রাখার সুব্যবস্থা রাখুন। কারণ, ঘরের বাইরে জুতা এলোমেলো থাকলে দেখতে খুব খারাপ লাগে। এবং পাশের ফ্ল্যাটের মানুষের অসুবিধা হতে পারে। জুতা গুছিয়ে রাখর জন্য শু র‍্যাক আবশ্যক। এখন চাকা লাগানো র‍্যাকও পাওয়া যায়, যা সহজে সরিয়ে ধুলো–ময়লা পরিষ্কার করা যায়।

গৃহসজ্জা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন