default-image

সে ক্ষেত্রে ঘরের এক দিকের দেয়ালজুড়ে বানিয়ে নিতে পারেন কেবিনেট আলমারি। ঘরে বড় কেবিনেট আলমারি থাকলে সেখানেই তাঁরা তাঁদের প্রয়োজনীয় জিনিসগুলো সাজিয়ে রাখতে পারবেন। এতে ঘর কিছুটা ফাঁকা থাকবে। জিনিসপত্র রাখার জন্য আলাদা আসবাবের প্রয়োজন হবে না। যদি দেয়ালজুড়ে আসবাব বানানো সম্ভব না হয়, তাহলে ছোট ছোট বাক্স বানিয়ে সেখানে জিনিস রাখার ব্যবস্থা করতে পারেন। যত কম জিনিস ঘরে রাখা যাবে, ঘর তত বেশি প্রশান্তির জায়গা হয়ে উঠবে।

default-image

বয়োবৃদ্ধদের ঘরের খাট–জানালার সামনে রাখা ভালো। খুব বেশি গরম পড়লে বিছানার কাছে খোলা জানালা থাকলে তা কিছুটা হলেও শান্তি দেবে। ঘরে যাতে সাবলীলভাবে বাতাস ঢুকতে পারে, সে জন্যও জানালা খোলা রাখা জরুরি। তবে দিনের বেলায় ঘরে কড়া রোদ ঢোকে এমন জানালায় পর্দা টেনে রাখতে হবে।

এই গরমে বাড়ির বয়স্ক সদস্যদের বাইরে বের না করাই ভালো। এই সময় অবসর কাটানোর জন্য ঘরে বই পড়ার আয়োজন রাখা যেতে পারে। ঘরে রাখতে পারেন বইয়ের তাক কাম টেবিল। চাইলে ঘরে কিছু শৌখিন আসবাবও জুড়ে দিতে পারেন। এই যেমন রাখতে পারেন বসার জন্য বেঞ্চ। থাকতে পারে ল্যাম্পশেড বা স্পটলাইটের ব্যবস্থা। এই ধরনের আলোর আয়োজন ঘরের পরিবেশ ঠান্ডা রাখে। গান মনকে অনেক প্রশান্ত করে। তাই ঘরে থাকতে পারে সাউন্ড সিস্টেমের ব্যবস্থা।

গরমের সময় পর্দা আর বিছানার চাদর সাদা বা চাপা-সাদা রঙের হলে ভালো। এ দুটি রং শুধু চোখের নয়, মনেরও প্রশান্তি আনে।

গৃহসজ্জা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন