অভিনেত্রী মালবিকা মহাননের বাড়ি ঘুরে দেখুন ১০টি ছবিতে

দক্ষিণ ভারতের জনপ্রিয় অভিনেত্রী মালবিকা মহানন। ‘যুধারা’, ‘দ্য গ্রেট ফাদার’, ‘পেত্তা’, ‘মাস্টার’–এর মতো আলোচিত সিনেমা দিয়ে তিনি হিন্দি, মালয়ালম, তামিলসহ নানা ভাষায় অভিনয় করে দেশ–বিদেশে পরিচিতি গড়েছেন। ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হয়েছেন প্রখ্যাত ইরানি নির্মাতা মাজিদ মাজিদির ‘বিয়ন্ড দ্য ক্লাউডস’ সিনেমায় অভিনয় করে। সম্প্রতি এই অভিনেত্রীর মুম্বাইয়ের অন্দর ঘুরে এসেছে ‘আর্কিটেকচারাল ডাইজেস্ট’ ম্যাগাজিন। ছবিতে দেখুন মালবিকার বাড়ির অন্দর।

১ / ১০
পরিবারের সদস্যদের হাতেই সাজানো মালবিকা মহাননের মুম্বাইয়ের বাড়ি। আর সেটা দেখেই সহজে বাসিন্দাদের রুচি ও ব্যক্তিত্বের পরিচয় মেলে
ছবি: ইনস্টাগ্রাম/এডি ইন্ডিয়া
২ / ১০
শৈল্পিক মনন, জ্ঞানচর্চা এবং নিজেদের ঐতিহ্যের প্রতি গভীর ভালোবাসা ছাপ আছে মালবিকাদের এই বাড়িতে
ছবি: ইনস্টাগ্রাম/এডি ইন্ডিয়া
৩ / ১০
বাড়িতে ঢুকতে প্রথমেই চোখে পড়ে নজরকাড়া লাল মেঝে। দক্ষিণ ভারতের অনেক বাড়িতেই দেখা যায় আথাঙ্গুড়ি টাইলস। সেই টাইলসের আদলেই নকশা করা হয়েছে মেঝেটি
ছবি: ইনস্টাগ্রাম/এডি ইন্ডিয়া
৪ / ১০
মালবিকা বলেন, ‘বাড়ির এই অংশটি আমার সবচেয়ে পছন্দের। মেঝেতে এমন আকর্ষণীয় একটি রং ব্যবহার করা বেশ অন্য রকম। আবার বসার ঘরের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য অংশ হিসেবে টাইলসকে বেছে নেওয়াটাও বেশ মজার।’ বাড়ির বসার ঘরে মালবিকা
ছবি: ইনস্টাগ্রাম/এডি ইন্ডিয়া
৫ / ১০
বাড়ির ভেতরে আরও এগোলে চোখে পড়বে তাঞ্জোরের ঐতিহ্যবাহী চিত্রকর্ম। মালবিকা ও তাঁর মা মিলে তাঞ্জোরেরই এক কারুশিল্পীর কাছ থেকে সংগ্রহ করেছেন ছবিটি
ছবি: ইনস্টাগ্রাম/এডি ইন্ডিয়া
৬ / ১০
বাড়ির সাজসজ্জায় মালাবার অঞ্চলের প্রভাব সবচেয়ে স্পষ্ট বসার ঘরের এক কোণে থাকা ছোট্ট মন্দিরটিতে। বাড়ির নকশা ও পরিকল্পনার কাজ শুরু হয়েছিল এই জায়গাকে ঘিরেই
ছবি: ইনস্টাগ্রাম/এডি ইন্ডিয়া
৭ / ১০
মন্দিরের ওপরের দিকের সূক্ষ্ম নকশায় ফুটে উঠেছে কেরালার মন্দিরের স্থাপত্যশৈলী। প্রদীপটি প্রায় ১৫ বছর আগে মালবিকাদের পরিবারে এসেছে
ছবি: ইনস্টাগ্রাম/এডি ইন্ডিয়া
৮ / ১০
মুম্বাইয়ের মতো শহরে গাছপালায় সাজানো ছোট্ট একটি বারান্দা থাকাও বিলাসিতা। আর এই বাড়িতে আছে গাছপালায় ভরা তিনটি বারান্দা! এই বারান্দায় সময় কাটানো মালবিকার সকালের রুটিনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এই করিডর দিয়েই বাড়ির বাসিন্দাদের শোবার ঘরে যেতে হয়
ছবি: ইনস্টাগ্রাম/এডি ইন্ডিয়া
৯ / ১০
বারান্দা নিয়ে মালবিকা বলেন, ‘কফি খাওয়ার সময় বই পড়তে আমার খুব ভালো লাগে। তাই বারান্দার এক কোণে গিয়ে বই হাতে বসে পড়ি। দিনের এই ২০ মিনিট আমার সবচেয়ে প্রিয় সময়গুলোর একটি।’ ছবিতে দেখা যাচ্ছে মালবিকার শোবার ঘর
ছবি: ইনস্টাগ্রাম/এডি ইন্ডিয়া
১০ / ১০
হেঁটে ক্লজেট রুমে যেতে গেলেই চোখে পড়বে এই কাস্টম মেইড ড্রেসিং টেবিল। পাশে থাকা সোনালি টেবিল ল্যাম্পটি মরক্কোর এক ছোট্ট থেকে সংগ্রহ করা
ছবি: ইনস্টাগ্রাম/এডি ইন্ডিয়া
আরও পড়ুন