default-image

এই পাখি পালতে পালতেই দিনে দিনে নতুন এক দুনিয়ার সন্ধান পান আদনান। পাখি আর বন্য প্রাণীর প্রেমে একসময় ঘর ছাড়েন। একদিন সুন্দরবন তো অন্য দিন সিলেট, আজ কক্সবাজারে সাপ উদ্ধার করতে গেছেন তো পরশু হাতি রক্ষার আন্দোলনে শেরপুর। বন্য প্রাণীর প্রেমে একসময় খাঁচার পাখি পালনও ছেড়ে দেন তিনি।

এসবের মধ্যেই চলচ্চিত্রে নায়ক হিসেবে নাম লিখিয়েছেন। অভিনয় করেছেন টিভি নাটকেও। মুঠোফোন সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানসহ বেশ কিছু বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপনে মডেলও হয়েছেন। তবে তাঁর মন পড়ে থাকত বনজঙ্গলে। সেই মনের টানেই দায়িত্ব নিয়েছিলেন কক্সবাজারের একটি বেসরকারি কুমির খামারের। প্রায় পাঁচ বছর খামারের দায়িত্বে ছিলেন আদনান আজাদ। ছবি তোলায় আরও বেশি করে মনোযোগী হবেন বলে সম্প্রতি সেই চাকরিও ছেড়ে দিয়েছেন। এখন আছেন বগুড়া শহরে, নিজেদের বাড়িতে।

default-image

এই বগুড়াতেই তাঁর বেড়ে ওঠা। তিন ভাইয়ের মধ্যে বড় আদনান। স্কুল–কলেজের গণ্ডি পেরিয়ে সরকারি আজিজুল হক কলেজে ব্যবস্থাপনায় স্নাতক করেছেন। তবে ব্যবস্থাপনায় তাঁর যতটা না ঝোঁক ছিল, তাঁর চেয়ে বেশি ছিল প্রাণিবিজ্ঞানে। তাই তো কলেজের প্রাণিবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক ড. এস এম ইকবালের প্রিয় হয়ে ওঠেন আদনান।

সেই আগ্রহের জন্যই বিরল ও বিলুপ্তপ্রায় অনেক পাখির ছবি তুলেছেন আদনান। তাঁর ছবি নিয়ে দেশসেরা পাখি ও প্রাণিবিশেষজ্ঞরা লিখেছেন পত্রিকার পাতায়। ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক, বিবিসি আর্থসহ বেশ কিছু আন্তর্জাতিক ম্যাগাজিনে ছাপা হয়েছে আদনানের তোলা ছবি।

জীবনযাপন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন