ওদিকে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কবিতায় লিখেছেন, ‘তাহার দুটি পালন-করা ভেড়া/ চরে বেড়ায় মোদের বটমূলে,/ যদি ভাঙে আমার খেতের বেড়া/ কোলের ’পরে নিই তাহারে তুলে।’ কোলে তুলে নেবেই তো, প্রেমিকার ভেড়া বলে কথা! তাকে কোলে নিয়ে, জড়িয়ে ধরে, আদর করে, প্রেমের আনন্দ পাওয়া যায়। তবে সব ভেড়া তো আর প্রেমিকার পোষা নয়। তাতে কি! ভেড়ার নিজেরই আছে আদর কাড়ার ক্ষমতা।

ভেড়া কিন্তু দারুণ উপকারী এক পশু। এর পশম দিয়ে তৈরি পোশাক, চাদর বা কম্বল বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয়। আবার পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ ভেড়ার মাংস ও দুধ খাবার হিসেবে অতি উপাদেয়। প্রাচীন গ্রিকরা পাশা খেলার পাশা হিসেবে ব্যবহার করত ভেড়ার হাড়। জমি উর্বর রাখা এবং জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণেও ভেড়ার ভূমিকা অপরিসীম।

এই ফাঁকে আরেকটি তথ্য উল্লেখ করা যেতে পারে। বিশ্বের প্রথম ক্লোনিং পদ্ধতিতে জন্ম নেওয়া স্তন্যপায়ী প্রাণী ‘ডলি’ও ছিল একটি স্ত্রী ভেড়া।

আজ ২৯ অক্টোবর ভেড়া জড়িয়ে ধরার দিন, হাগ আ শিপ ডে। প্রতিবছর অক্টোবরের শেষ শনিবার দিবসটি পালিত হয়। পানকিন নামক একটি ভেড়ার জন্মদিনকে কেন্দ্র করে এই দিবসের উৎপত্তি। পানকিন ছিল ‘দ্য ক্রেজি শিপ লেডি’ নামের একটি খামারের প্রথম ভেড়া, যাকে ১৯৯২ সালে জবাইখানা থেকে আনা হয়েছিল। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে দারুণ বন্ধুবৎসল হয়ে উঠেছিল পানকিন।

ডেজ অব দ্য ইয়ার অবলম্বনে