বিশ্ববিদ্যালয়ের গণ্ডি পেরিয়ে বুয়েটপিএস

প্রায় সব বিশ্ববিদ্যালয়েই আছে ফটোগ্রাফি ক্লাব। শিক্ষার্থীরা নিজ উদ্যোগে গড়ে তুলেছেন এসব ক্লাব। ছবি তোলার চর্চার পাশাপাশি একে অপরের কাছ থেকে শিখছেন তাঁরা, আয়োজন করছেন নানা অনুষ্ঠান ও প্রদর্শনী। ক্যাম্পাসের আলোকচিত্রীরা নিশ্চয়ই তাঁদের প্রিয় প্রাঙ্গণকে একটু ভিন্ন চোখে দেখেন। কেমন চলছে বুয়েটের ফটোগ্রাফিক সোসাইটির কার্যক্রম?

বুয়েট ক্যাম্পাসে নববর্ষের আলপনা
ছবি: বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় ফটোগ্রাফিক সোসাইটির সৌজন্যে

এখনকার মতো হাতে হাতে স্মার্টফোন আর ক্যামেরা তখন ছিল না। চাইলেই সুন্দর কোনো দৃশ্য বা মুহূর্ত ফ্রেমবন্দী করে ফেলা যেত না। সেই ১৯৯৭ সালে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় ফটোগ্রাফিক সোসাইটির যাত্রা শুরু।

আরও পড়ুন

তারপর ফটোগ্রাফি নিয়ে নানা কার্যক্রম পরিচালনার ভেতর দিয়ে এগিয়ে চলছে ক্লাবটির কার্যক্রম। বিশ্ববিদ্যালয়ভিত্তিক সংগঠন হলেও বুয়েটপিএস বেশ পেশাদার। ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম ছাড়াও ছবিসমৃদ্ধ ওয়েবসাইট ফ্লিকারেও আলোকচিত্র নিয়ে তাঁদের ভার্চ্যুয়াল আসর বসে। আলোকচিত্র কর্মশালা এবং আর্টিস্ট টক, আলোকচিত্র প্রদর্শনী, ফটোওয়াক, ফটো আড্ডার মতো নিয়মিত কার্যক্রমগুলো ছাড়াও বিশেষ দিবস, উৎসব উদ্‌যাপন উপলক্ষে ফটো হান্ট, ফটো অ্যাসাইনমেন্ট, ইত্যাদি ব্যতিক্রমী আয়োজন করছেন তাঁরা।

‘ভয়েস অব ভিজ্যুয়ালস’ বুয়েট ফটোগ্রাফিক সোসাইটির সবচেয়ে জনপ্রিয় আয়োজন। মূলত এটি সংগঠনের দ্বিবার্ষিক আলোকচিত্র প্রদর্শনী। দেশ-বিদেশের আলোকচিত্রীদের নিয়ে এই সিরিজের মোট চারটি আয়োজন হয়েছে। প্রতিটি প্রদর্শনীরই একটা থিম থাকে। যেমন এ বছরের থিম ছিল ‘কো–এক্সিসটেন্স’। এ ধরনের আয়োজনের মাধ্যমেই বিশ্ববিদ্যালয়ের গণ্ডির বাইরে সংগঠনের নাম ছড়িয়ে পড়ে। তাই আয়োজকেরা চান, ভেন্যু যেন ক্যাম্পাসের বাইরে হয়। এ বছরের আয়োজনটি হয়েছিল রাজধানীর জাতীয় শিল্পকলা একাডেমিতে।

ক্লাবের বর্তমান সভাপতি ফায়জুর হিমেল বললেন, ‘আমাদের একটা বড় ইচ্ছে হলো ফটোগ্রাফির বই দিয়ে একটি সমৃদ্ধ লাইব্রেরি করা। যার মাধ্যমে ফটোগ্রাফি নিয়ে আরও বিস্তৃত পরিসরে সবাই জানতে পারবে।’