বিজ্ঞাপন

নিজের আত্মবিশ্বাসের জোরেই যেকোনো পরিস্থিতি কিশোয়ার পার করতে পারেন, এরও একটা প্রমাণ মেলে দলীয় প্রতিযোগিতার একটি পর্বে। প্রতিযোগিতার এই অংশে দুটি দলে বিভক্ত করে উপমহাদেশীয় বিখ্যাত খাবার রান্না করতে বলা হয়। এবারের পর্বে ছিল ইস্টার্ন আর ইউরোপিয়ান বা ওয়েস্টার্ন খাবারের পালা। এশিয়া মহাদেশীয়, অর্থাৎ ইস্টার্ন খাবার রান্নায় পটু কিশোয়ারের ভাগ্যে জোটে ইউরোপিয়ান খাবার রান্নার উপাদান।

default-image

কিশোয়ার সিদ্ধান্ত নেন উত্তর আফ্রিকা ও মরক্কোর একধরনের গরুর মাংস আর রুটি রান্না করবেন। তবে এ রান্নায় তিনি ব্যবহার করেন বাংলাদেশি জনপ্রিয় খাবার কালাভুনা রান্নার পদ্ধতি। বাবার কাছে শেখা এই কালাভুনা রান্নার কৌশল ব্যবহারের কথা অকপটেই জানান নিজের ফেসবুক পেজে। আর সবাইকে অবাক করে বিচারকদের রায়ে কিশোয়ারের রান্না আর তাঁর দল দুটোই জিতে যায় ওই পর্বের চ্যালেঞ্জে।

প্রতিযোগিতার আরেকটি পর্বে একদমই খাঁটি বাঙালি ‘মাছের ঝোল’ রান্না করে রীতিমতো তাক লাগিয়ে দেন কিশোয়ার। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে তাঁর এই রান্না বিশেষভাবে সমাদৃত হয়। খবরে শিরোনাম আসে ‘এই নারী বাঙালি মাছের ঝোলকে নিয়ে গেছেন মাস্টারশেফের অন্দরমহলে’।

default-image

সাধারণ মাছ, আলু আর টমেটো দিয়ে মাছের ঝোল কিশোয়ারের রান্নায় হয়ে ওঠে বিচারকদের পছন্দের অন্যতম খাবার। এভাবেই কিশোয়ার বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করছেন নানা বৈচিত্র্যময় পদের উপস্থাপনায়। বাংলাদেশের ডেলিকেসিকে তুলে ধরনে আন্তর্জাতিক মহলে। এর আগে বলতেই হবে এই প্রয়াস সেভাবে লক্ষ করা যায়নি।

রসনা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন